(কোরবান বা ত্যাগ)

শফিকুল-আলম সবুজ

রবিবার , ১১ আগস্ট, ২০১৯ at ৮:০৩ পূর্বাহ্ণ
39

: ঈদুল আযহার একটি ঐতিহাসিক বর্ণনা রয়েছে। যা মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের একটি বিশেষ দিন ও ধর্মীয় উৎসব। যা হযরত ইব্রাহীম (আ:) এর স্নেহের পুত্র হযরত ইসমাইল আ: এর কোরবানীর মাধ্যমে সূচনা হয়েছিল। আল্লাহ তায়ালা হযরত ইব্রাহীম কে কঠিন পরীক্ষা নিয়েছিলেন। যাতে তিনি সফলতা পেয়েছেন,এবং আল্লাহর কাছে অনেক পছন্দ হয়ে খলিলুল্লাহ বা আল্লাহর বন্ধু উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। আর তার বিনিময়ে ইব্রাহীম (আ:) কে করেছেন, মুসলিম জাতির পিতা। এবং মুসলমানদের জন্য কোরবান কে করেছে ওয়াজিব। কিয়ামত পর্যন্ত তাকে স্মরণ রাখার জন্য উক্ত কোরবানি প্রত্যেক সামর্থবান ব্যক্তির জন্য ওয়াজিব করে দিয়েছেন। কোরবান আমাদের যা শিক্ষা দেই, আল্লাহর সন্তুষ্টি,প্রিয় বস্তুকে আল্লাহর পথে ব্যয় করার মানসিকতা ,ঈমান শক্তিশালী করা, মানবতা,অসহায়দের প্রতি ভালোবাসা অন্যতম। কোরবানী যারা দিবেন তাঁরা যাতে অসহায়দের প্রতি তাদের করণীয় যথাযথভাবে পালন করেন তার প্রতি নিশ্চিয় নজর রাখবেন। কোরবানির গোস্ত তিনভাগে বন্টন করতে হবে।
প্রথম ভাগ নিজের জন্য দ্বিতীয় ভাগ নিকটআত্মীয়দের জন্য এবং তৃতীয় ভাগ গ্রামের অসহায় গরীবদের মাঝে বন্টন করবেন। মনে রাখতে হবে কোরবান আপনার উপর ওয়াজিব হলেও অন্তত একা-একা তা ভক্ষণ করা আপনার জন্য না। কোরবানি পশুর গোস্ত,রক্ত আল্লাহ চাননা, আল্লাহ আপনার দিল,অন্তর এর অবস্থা চান। আপনার মন যেন একমাত্র আল্লাহ তায়ালার উদ্দেশ্যে হয়। আর অসহায়দের প্রতি আপনার চেয়ে আপনার আশে-পাশে গরিবদের জন্য হয়,তবেই আপনার কোরবানি ক্ববুল হবে। হারাম উপার্জন দ্বারা যেন কোন প্রকারে আপনার পশু কোরবান না হয়! কোরবানি যেন হয় আপনার হালাল ও সৎ পথের উপার্জিত অর্থে। তবেই ক্ববুল হবে কোরবান,বিনিময়ে পাবেন পুরস্কার।

x