(কোথায় আছে নিরাপত্তা)

সাহেলা আবেদীন রীমা

বৃহস্পতিবার , ১১ জুলাই, ২০১৯ at ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
134

চারিদিকে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে, কোথায় আছে নিরাপত্তা পরিবার-পরিজন, আত্নীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব কাকে বিশ্বাস করবেন? তিন মাসের, নয় মাসের বাচ্চা থেকে শুরু করে ষাটোর্ধ বয়সী কোন নারী কেউও রেহাই পাচ্ছে না, তাদের হাত থেকে। সমাজে কি অধপতন শুরু হয়েছে, সেই সব মস্তিষ্কবিকৃতি, কুরুচিপূর্ণ লোকগুলো ভাবেই না তারা কি জঘন্যতম অপরাধ করে বেড়াচ্ছে সমাজে। আসলে মানুষের মধ্যে এখন আর কোন মনুষ্যবোধ নেই, যে যার যার ইচ্ছেমত সমাজে অপরাধ করে বেড়াচ্ছে। একদিকে অর্থলোভী মানুষ অর্থের জন্য তারা কি না করতে পারে? আপনি হয়ত ভেবে আছেন পারিবারিকভাবে চেনেন জানেন তার বিপদে আপনি তাকে সাহায্য করলেন, কিন্ত সে যে মনমানসিকতার লোক সে আপনাকে উপকার করার প্রতিদান দেওয়া তো দূরের কথা, আপনাকে চরিতার্থ করতে তার দ্বিধা লাগবে না। আর আরেকদিকে মতিষ্কবিকৃতি মানুষ। কাকে বিশ্বাস করবেন? বিশেষ করে মেয়ের মা-বাবারা এখন আর শান্তিতে জীবনযাপন করতে পারছেন না, কারণ কোথায় আছে তার সন্তানটির নিরাপত্তা? কে দেবে নিরাপত্তা? আমরা তো এমন সমাজ চাই না, যে সমাজে নারীদের কোনো নিরাপত্তায় নাই। অথচ দেশের রাষ্ট্র পরিচালক থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রে নারীদের অবস্থান পরিলক্ষিত হচ্ছে, তাহলে আমরা কেনো এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারছি না। অন্তত দৃষ্টান্তমূলক কি শাস্তির ব্যবস্থা করা যায় না? হোক জনসম্মুখে তবেই হয়ত অন্যায় নিপীড়ন নির্যাতন ধীরে ধীরে কমে আসবে। আমরা সুন্দর এক সমাজ চাই যেখানে নারীরা স্বাধীনভাবে চলার পরিবেশ পাবে, কোন মা তার সন্তানের জন্য অস্থিরতায় ভুগবে না, প্রতিটা কুরুচিপূর্ণ পুরুষের ও ভাবতে হবে সে যে অন্যায় করবে ভাবছে সেটা পরক্ষণে তার পরিবারের সাথে ও হতে পারে, সুতরাং অন্যায়ের প্রতিবাদ পরিবার থেকে শুরু হোক, তবেই হয়ত ভালো কিছু আশা করতে পারি ভবিষ্যতের। অন্যায় করে বিপদে ফেলিও না কাহারে,/ দেখিবে একদিন নিজেই পড়িয়া যাইবে সেই বিপদে। তখন হয়ত আর পালানোর পথ পাইবেনা, যদি সংশোধন না করো নিজেরে।

x