কী সুফল মিলছে ট্রাফিক সপ্তাহে

সড়কে যানজটের সেই আগের চেহারা, আসেনি সচেতনতা ।। ট্রাফিক শৃঙ্খলা একটি জাতির সভ্যতার প্রতীক

ঋত্বিক নয়ন

শুক্রবার , ১০ আগস্ট, ২০১৮ at ৩:৩৩ পূর্বাহ্ণ
297

বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ উপলক্ষে যানজট নিরসন এবং পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে গিয়ে ট্রাফিক পুলিশের ‘ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি’ অবস্থা। ট্রাফিক সপ্তাহ উপলক্ষে নির্দিষ্ট কোন পরিকল্পনাতো নেই, অতীতে নেয়া পরিকল্পনাগুলোর বাস্তবায়নের কোন চিহ্নও নেই। বাস্তবতা অস্বীকার করছেন না চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। জানালেন সকলের মধ্যেই সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। পাশাপাশি যানজট নিরসন এবং পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলনের মধ্যেই ‘বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ’ শুরু করে পুলিশ প্রশাসন। লক্ষ্য ছিল এ বিশেষ সপ্তাহে সারাদেশে ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে কাজ করবে তারা। ‘ট্রাফিক আইন মেনে চলুন, ট্রাফিক পুলিশকে সহযোগিতা করুন, ট্রাফিক শৃঙ্খলা একটি জাতির সভ্যতার প্রতীক।’ এই স্লোগান নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গত রোববার থেকে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম নগরীতে পরদিন ৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। ট্রাফিক সপ্তাহ’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, আমাদের মধ্যে আইন মানার সংস্কৃতি নেই। কেউ আইন মানতে চাই না। ট্রাফিক সপ্তাহের মধ্য দিয়ে আমাদের আইন মানার সংস্কৃতি বাড়বে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) . মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছিলেন, ‘পুলিশ সপ্তাহের মতো প্রতিবছর আমরা ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করে থাকি। এর ধারাবাহিকতায় সরকারের নির্দেশে রোববার থেকে সাতদিন ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করা হবে। সাধারণ মানুষকে ট্রাফিক আইন ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন করাটাই এই ট্রাফিক সপ্তাহের মূল উদ্দেশ্য।’ আগামীকাল ট্রাফিক সপ্তাহের শেষ দিন। খোদ পুলিশ কর্মকর্তারাই মনে করছেন সেই সচেতনতা আসেনি। সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) কুসুম দেওয়ান এ প্রসঙ্গে গতকাল রাতে আজাদীকে বলেন, ‘একদিনেই দিনের পর দিন ধরে চলতে থাকা এ দুর্ভোগের সমাধান মিলবে না। এটা চলমান প্রক্রিয়া। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশের মধ্যেও সচেতনতা আসতে হবে। ট্রাফিক পুলিশ, সিটি কর্পোরেশন, সিডিএ, ওয়াসাসহ সকল পক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করলে আমি এখনো মনে করি সমাধান সম্ভব। পাশাপাশি আবারো বলছি সচেতনতার বিকল্প নেই।’

সরেজমিনে গত মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার নগরীর কয়েকটি পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় এখন ট্রাফিক সার্জেন্টরা রাস্তায় শৃঙ্খলা ফেরাতে আগের চেয়ে অনেক বেশি তৎপর। আগে তিন দিনে যা মামলা রেকর্ড হতো, এখন একদিনেই তার চেয়ে অনেক বেশি রেকর্ড হচ্ছে। সার্জেন্টরা যানবাহনের যথাযথ কাগজপত্র ও লাইসেন্স না থাকা পরিচিতজনদের আগে থেকেই পরামর্শ দিচ্ছেন দ্রুত তা ঠিক করেই যেন রাস্তায় নামেন। নগরীর সদরঘাটস্থ ট্রাফিক প্রসিকিউশন উত্তর বিভাগ কার্যালয় ও আগ্রাবাদ বাদামতলীস্থ ট্রাফিক বন্দর বিভাগ কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রসিকিউশন) কিংবা ট্রাফিক সার্জেন্ট (প্রসিকিউশন) অন্যায় আবদার বা তদবির শুনতে চাইছেন না। তদবিরের জন্য সরাসরি কেউ এলে বা কোনো ফোন করলে তারা জানিয়ে দিচ্ছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবেই। নগরীর ১৬ টি পয়েন্টে চেকপোস্টে চলছে যানবাহন তল্লাশি। ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ও সহকারী পুলিশ কমিশনারগণ (এসি) সরাসরি মনিটরিং করছেন।

ট্রাফিক সপ্তাহ উপলক্ষে আইজিপি বলেছেন, একটি দেশের সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নির্ভর করে চারটি বিষয়ের উপর। ট্রাফিক এডুকেশন, ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ট্রাফিক এনভায়রনমেন্ট ও ট্রাফিক ইনফোর্সমেন্টের। এ চারটির কোনটিই আমাদের দেশে সঠিকভাবে নেই। সবাই পুলিশকে নিয়ে কথা বলে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পুলিশ শুধু এনফোর্সমেন্ট করে থাকে। সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার কুসুম দেওয়ান আইজিপির বক্তব্যের ধারাবাহিকতায় আজাদীকে বলেন, এমনিতেই জনবল সংকট আমাদের। তবু অভিযান চলছে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের বিরুদ্ধে। মামলার সংখ্যা তাই বেড়েছে। কিন্তু আমরা হয়তো ১০ টা কিংবা ১২ টা গাড়ির মধ্যে একটি ধরছি, কাগজপত্রে ত্রুটি দেখে মামলা করছি, আটক করছি। সেই ১০/১২ টা গাড়ি আটক করতে পারলে হয়তো ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের সংখ্যা আরো বাড়তো। সড়কে নিয়মশৃঙ্খলা ফিরে আসুক উল্লেখ করে এ কর্মকর্তা বলেন, সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আমাদের নিজেদেরই নিজেদের দায়িত্ব নিতে হবে। তিনি আরো বলেন, ট্রাফিক সপ্তাহ উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ করছি, স্কুলে স্কুলে গিয়ে সচেতন করা হচ্ছে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে।

অভিযোগ রয়েছে, ট্রাফিক সপ্তাহ উপলক্ষে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেই নগরীর পরিবহন সেবার মান উন্নয়নে। হঠাৎ করেই ট্রাফিক সপ্তাহ নাম দিয়ে যানবাহন ধরা হচ্ছে, মামলা, জরিমানা করা হচ্ছে, আটক করছে গাড়ি। পরিকল্পনার কোন ছাপ নেই। অনিয়মটাই ঠিক আগের মতো নিয়ম হিসেবে দৃশ্যমান প্রতিটি রাস্তায়। যানজট, নো পার্কিংয়ে গাড়ি পার্কিং, মোড়ে মোড়ে গাড়ির লাইন, রাস্তার মাঝে দাঁড় করিয়ে গাড়িতে যাত্রী উঠানো নামানো, লাইসেন্স ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি, অপ্রাপ্তবয়স্ক চালক দেখা যাওয়াসবই আছে আগের মতোই। খোদ পুলিশ কর্মকর্তা উল্টো পথে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার দৃশ্যও যেন স্বাভাবিক ব্যাপার।

ইতোপূর্বে গত বছর রমজান মাসের আগে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে, গণপরিবহনে যাত্রী উঠানামা, পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল ও অবৈধ পার্কিংয়ের ওপর নির্দেশনা জারি করেছিল চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর ও বন্দর কেন্দ্রিক প্রধান সড়ক ছাড়া এলাকায় বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা শহরের অভ্যন্তরে পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ সকল প্রকার পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল ও পণ্য উঠানামা করা যাবে না। এছাড়া ওই সময়ের মধ্যে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএএর স্টিকারযুক্ত রপ্তানিযোগ্য গার্মেন্টস পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে একই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে। সকল গণপরিবহনে নির্ধারিত স্থান ব্যতীত যাত্রী উঠানামা করানো যাবে না। যাত্রী উঠানামা দ্রুতমত সময়ে সম্পন্ন করে বাস স্টপেজ ত্যাগ করতে হবে। যে সকল ক্রসিং/মোড়ে বাস স্টপেজ নেই সে সকল ক্রসিং/মোড় হতে ৫০ গজ দূরে যাত্রী উঠানামা করতে হবে। এছাড়া চট্টগ্রাম হয়ে খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও কঙবাজার জেলায় গমনাগমনকারী আন্তঃজেলা দূরপাল্লার বাস ও পণ্যবাহী পরিবহন ব্যতীত অন্য কোন পরিবহন সকাল ৮ টা থেকে রাত সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরীতে প্রবেশ করতে পারবে না। সকল মার্কেট, বাণিজ্য কেন্দ্র ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে গমনাগমনকারী ও ব্যক্তিগত গাড়ী ব্যবহারকারীরা নির্ধারিত স্থান ব্যতীত প্রকাশ্যে সড়কে কোন প্রকার যানবাহন পার্কিং করা যাবে না। বাস্তবায়ন থমকে আছে গোড়াতেই। শুধু তাই নয় সিগন্যাল বাতি ছাড়া ট্রাফিক পুলিশের হাতের ইশারায় চলছে চট্টগ্রামের ট্রাফিক ব্যবস্থা। মুখে বাঁশি, লাঠি কিংবা হাতের ইশারা, এটাই চট্টগ্রামের রাস্তায় ট্রাফিক সিগন্যালের পদ্ধতি।

বাণিজ্যিক রাজধানীখ্যাত চট্টগ্রামে যানজট এখন স্থায়ী রূপ নিয়েছে। নগরীতে নেই কোন স্থায়ী বাস ও ট্রাক টার্মিনাল। যত্রতত্র বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী উঠানামা করা হচ্ছে। অবাধে চলছে অবৈধ ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন। ফলে গণপরিবহন এবং সেইসাথে মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় চরম বিশৃঙ্খল অবস্থা বিরাজ করছে। নগরীর ২৪টি স্পটে পার্কিং সুবিধা, নির্ধারিত ছাউনিতে যাত্রী উঠানামা, বিমানবন্দরগামী যাত্রীদের জন্য সড়কে আলাদা লেন স্থাপন এবং মহানগরীর সড়কগুলোকে দখলমুক্ত করে সমপ্রসারণের উদ্যোগসহ গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিল। নগরীতে যত্রতত্র পার্কিং যানজট সমস্যার অন্যতম একটি কারণ। তা নিরসনে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে পার্কিংয়ের পৃথক জায়গা করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এসব স্পটে কয়টি করে গাড়ি পার্কিং করা হবে সেটিও নির্ধারণ করা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। জিইসি মোড়ের কামাল স্টোরের সামনে ১২টি, চিটাগাং শপিং কমপ্লেঙের উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব কোণে ৫০টি, মুরাদপুর সিরাজ শপিং কমপ্লেঙের সামনে ২৫টি করে অটো রিকশা ও গাড়ি পার্কিং করার মতো পার্কিং এলাকার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এছাড়া পুলিশ লাইন্সের পাশে পুনাক শপের সামনে ১০টি, আলমাস সিনেমা হল থেকে জমিয়াতুল ফালাহ জামে মসজিদ গেটের আগে পর্যন্ত স্থানে ৫০টি, জমিয়াতুল ফালাহ জামে মসজিদ মাঠে ২৫০টি, অঙিজেন জনতা ব্যাংক থেকে কেডিএস গার্মেন্টস পর্যন্ত ১০টি করে গাড়ি রাখার ব্যবস্থাসহ পার্কিং স্থান নির্ধারণ করা হচ্ছে। এছাড়াও দেওয়ানহাট ফায়ার সার্ভিস এলাকায় রাস্তার দুই পাশে, ওয়াসা কলোনি, অংলকার মোড় থেকে একে খান গেট পর্যন্ত এলাকায় আলিফ গলি, কর্ণেল হাট থেকে বিএসআরএম মিড আইল্যান্ডে গাড়ির পার্কিং স্থান করার পরিকল্পনায় আনা হয়। নগরীর কয়েকটি মাঠের কিছু অংশেও গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করতে পুলিশের পরিকল্পনায় এসেছে। বন্দরের সিপিআর গেট সংলগ্ন খালি জায়গায় গাড়ি বা প্রাইম মুভার পার্কিং স্থান করারও পরিকল্পনা ছিল। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনাটাও থমকে আছে বাস্তবায়ন হবে কিনা, তা বলবে কে?

চট্টগ্রাম শহরের গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে ১০ বছর মেয়াদী একটি মহাপরিকল্পনা তৈরি করে বিশ্বব্যাংক ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। খসড়া এ মহাপরিকল্পনায় দেখানো হয়েছে, চট্টগ্রাম শহরের ৭৫ শতাংশ যাত্রীই গণপরিবহন বা বাস সার্ভিস ব্যবহার করেন বা করতে চান, যদিও বাস সড়কের মাত্র ১৭ শতাংশ ব্যবহার করে। অন্যদিকে প্রাইভেট কার চট্টগ্রাম শহরের মাত্র ৫ শতাংশ যাত্রী পরিবহন করলেও সড়কের ২৯ শতাংশ দখল করে থাকে। এছাড়া রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা ৬ শতাংশ যাত্রী পরিবহনের বিপরীতে ২৭ শতাংশ সড়কজুড়ে বিচরণ করে। নগর ট্রাফিক বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, গণপরিবহনের ব্যাপক চাহিদা সত্ত্বেও সিএনজিচালিত অটোরিকশা, রিকশা ও প্রাইভেট কার নগরীর মাত্র ১১ শতাংশ যাত্রীর পরিবহন চাহিদা মিটিয়ে ৫৬ শতাংশ সড়ক দখলে রেখেছে, যা চট্টগ্রাম শহরের আধুনিক ও নির্বিঘ্ন ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত কমিশনার কুসুম দেওয়ান বলেন, সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। মাননীয় মেয়র মহোদয় এ উদ্যোগ নিতে পারেন। তিনি সব ডিপার্টমেন্টকে নিয়ে বসলেন, কাজের অগ্রগতি জানতে চাইলে, বাস্তবায়িত না হলে কেন হচ্ছে না, সমাধান কী এ সবকিছুই বের হয়ে আসবে। অতীতে এ ধরনের অনেক মিটিং হয়েছে, পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, কিন্তু বাস্তবায়ন নেই বলে জানালে তিনি বলেন, অনেকসময় এসব বিষয় পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না তবুও আমাদের চেষ্টার ত্রুটি নেই।

x