কিছু জানা কিছু অজানা

প্রবীর বড়ুয়া

বৃহস্পতিবার , ১৪ জুন, ২০১৮ at ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
17

* সবচেয়ে বেশি ৫ বার বিশ্বকাপ জিতেছে ব্রাজিল (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪, ২০০২ সাল)

* সবচেয়ে বেশি ৮ বার ফাইনাল খেলেছে জার্মানি (১৯৫৪, ১৯৬৬, ১৯৭৪, ১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০, ২০০২, ২০১৪ সাল)

* পর পর চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ২ দেশ। ইতালি (১৯৩৪ ও ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দ) এবং ব্রাজিল (১৯৫৮ ও ১৯৬২ সাল)

* দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মাঝে সবচেয়ে বেশি ৪৪ বছরের ব্যবধান আছে ইতালির (১৯৩৮ থেকে ১৯৬২ সাল)

* সবচেয়ে বেশি ৪৮ বছরের ব্যবধানে ফাইনাল খেলেছে আর্জেন্টিনা। ১৯৩০ সালে রানারআপ এবং ১৯৭৮ সালে চ্যাম্পিয়ন।

* সবচেয়ে বেশি ৫৬ বছরের ব্যবধানে চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিয়েছে ২টি দেশ। মিশর ১৯৩৪ সালের পর ১৯৯০ সালে এবং নরওয়ে ১৯৩৮ সালের পর ১৯৯৪ সালে।

* যেসব স্বাগতিক দেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তাদের মধ্যে আছে উরুগুয়ে (১৯৩০), ইতালি (১৯৩৪), ইংল্যান্ড (১৯৬৬), পশ্চিম জার্মানি (১৯৭৪), আর্জেন্টিনা (১৯৭৮) এবং ফ্রান্স (১৯৯৮)

* স্বাগতিক দেশ হিসেবে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছিল একমাত্র দক্ষিণ আফ্রিকা (২০১০ সালে)

* আগের বারের চ্যাম্পিয়ন কিন্তু পরের বার প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছে এরকম দেশগুলো হলো ইতালি (১৯৫০ ও ২০১০), ব্রাজিল (১৯৬৬), ফ্রান্স (২০০২) এবং স্পেন (২০১৪)

* চ্যাম্পিয়ন দলে সবচেয়ে বেশি ৩ বার খেলেছেন ব্রাজিলের পেলে (১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০ সালে)

* সবচেয়ে বেশি ৫ বার বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলেছেন মেক্সিকোর এন্তোনিও কারবাজাল (১৯৫০, ১৯৫৪, ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৬৬ সালে) এবং জার্মানির লোথার ম্যাথাউস (১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০, ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ সালে)

* সবচেয়ে বেশি ২৫ ম্যাচ খেলেছেন জার্মানির লোথার ম্যাথাউস (১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০, ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ সালে)

* ক্যাপ্টেন হিসেবে সবচেয়ে বেশি ১৬ ম্যাচ খেলেছেন আর্জেন্টিনার দিয়েগো ম্যারাডোনা (১৯৮৬, ১৯৯০ ও ১৯৯৪ সালে)

* ক্যাপ্টেন হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৪ বার চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিয়েছেন মেক্সিকোর রাফায়েল মার্কেজ (২০০২, ২০০৬, ২০১০ ও ২০১৪ সালে)

* সবচেয়ে কম বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে অংশ নেন উত্তর আয়ারল্যান্ডের নরমান হোয়াইটসাইড। ১৯৮২ সালের ১৭ জুন অনুষ্ঠিত যুগোশ্লাভিয়ার বিরুদ্ধে সেই খেলায় তার বয়স ছিল ১৭ বছর ৪১ দিন।

* সবচেয়ে কম বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেন ব্রাজিলের পেলে। ১৯৫৮ সালের ২৯ জুন অনুষ্ঠিত সুইডেনের বিরুদ্ধে সেই খেলায় তার বয়স ছিল ১৭ বছর ২৪৯ দিন।

* সবচেয়ে বেশি বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে অংশ নেন কলম্বিয়ার ফারইদ মনদ্রাগোঁ। ২০১৪ সালের ২৪ জুন অনুষ্ঠিত জাপানের বিরুদ্ধে সেই খেলায় তার বয়স ছিল ৪৩ বছর ৩ দিন।

* সবচেয়ে বেশি বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেন ইতালির দিনো জফ। ১৯৮২ সালের ১১ জুলাই অনুষ্ঠিত পশ্চিম জার্মানির বিরুদ্ধে সেই খেলায় তার বয়স ছিল ৪০ বছর ১৩৩ দিন।

* সবচেয়ে কম বয়স্ক ক্যাপ্টেন ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টনি মেওলা। ১৯৯০ সালের ১০ জুন চেকোশ্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত খেলার দিন তার বয়স ছিল ২১ বছর ১০৯ দিন।

* সবচেয়ে বেশি বয়স্ক ক্যাপ্টেন ছিলেন ইংল্যান্ডের পিটার শিলটন। ১৯৯০ সালের ৭ জুলাই ইতালির বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত খেলার দিন তার বয়স ছিল ৪০ বছর ২৯২ দিন।

* একই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বয়সের সবচেয়ে বেশি ব্যবধান (২৪ বছর ৪২ দিন) ছিল ১৯৯৪ সালে ক্যামেরুনের। সবচেয়ে কম বয়স্ক খেলোয়াড় ছিলেন রিগোবার্ত সং (১৭ বছর ৩৫৮ দিন) আর সবচেয়ে বেশি বয়স্ক ছিলেন রজার মিলা (৪২ বছর ৩৫ দিন)

* বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রথম গোলটি করেছিলেন ফ্রান্সের লুসিয়েঁ লঁরে ১৯৩০ সালের ১৩ জুলাই মেক্সিকোর বিরুদ্ধে।

* সবচেয়ে কম বয়সী গোলদাতা হলেন ব্রাজিলের পেলে। ১৯৫৮ সালের ১৯ জুন ওয়েলসের বিরুদ্ধে খেলায় তখন তার বয়স ছিল ১৭ বছর ৭ মাস ২৭ দিন।

* এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল দিয়েছেন ফ্রান্সের জাঁ ফঁতে। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে তিনি মোট ১৩ গোল করেন।

* বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি মোট গোলের রেকর্ড করেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা। ২০০২ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তার মোট গোলের সংখ্যা ১৬।

* বিজয়ী দলের খেলোয়াড় হিসেবে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি গোল দিয়েছেন রাশিয়ার ওলেগ সালেঙ্কো। ১৯৯৪ সালে ক্যামেরুনের বিরুদ্ধে ম্যাচে তিনি ৫ গোল করেন।

* পরাজিত দলের খেলোয়াড় হিসেবে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি গোল দিয়েছেন পোল্যান্ডের আর্নেস্ট উইলিমাউস্কি। ১৯৩৮ সালে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ম্যাচে তিনি ৪ গোল করেন।

* সবচেয়ে বেশি ২ বার হ্যাটট্রিক করেন হাঙ্গেরির স্যান্ডর ককসিস (১৯৫৪ সালে), ফ্রান্সের জাঁ ফঁতে (১৯৫৮ সালে), পশ্চিম জার্মানির গার্ড মুলার (১৯৭০ সালে) এবং আর্জেন্টিনার গাব্রিয়েল বাতিস্তুতা (১৯৯৪ ও ১৯৯৮ সালে)। তাদের মধ্যে পর পর হ্যাটট্রিক করেন হাঙ্গেরির স্যান্ডর ককসিস ও পশ্চিম জার্মানির গার্ড মুলার।

* সবচেয়ে কম সময়ের ব্যবধানে হ্যাটট্রিক করেন হাঙ্গেরির লাজলো কিস ১৯৮২ সালে। এল সালভাদরের বিরুদ্ধে সেই খেলায় তিনি গোলগুলো করেন ৬৯, ৭২ ও ৭৬ মিনিটে।

* সবচেয়ে কম বয়সে হ্যাটট্রিক করেন ব্রাজিলের পেলে। ১৯৫৮ সালের ২৪ জুন ফ্রান্সের বিরুদ্ধে খেলার সময় তার বয়স ছিল ১৭ বছর ৮ মাস ১ দিন। ফাইনালে সবচেয়ে কম বয়সে গোল দেয়ার রেকর্ডটিও তার। ১৯৫৮ সালের ২৯ জুন সুইডেনের বিরুদ্ধে ফাইনাল খেলায় তার বয়স ছিল ১৭ বছর ৮ মাস ৬ দিন।

* সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্রিক করেন সুইডেনের টরে কেলার। ১৯৩৮ সালের ১২ জুন কিউবার বিরুদ্ধে খেলায় তার বয়স ছিল ৩৩ বছর ৫ মাস ৮ দিন।

* এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ৮টি হ্যাটট্রিক হয়েছিল ১৯৫৪ সালে আর কোনো হ্যাটট্রিক হয়নি ২০০৬ সালে।

* নিজের করা দুই গোলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময়ের ব্যবধান হলো ১২ বছর। এ তালিকায় আছেন ডেনমার্কের মাইকেল লড্রাপ (১৯৮৬ থেকে ১৯৯৮ সাল) এবং ক্রোয়েশিয়ার ইভিকা অলিক (২০০২ থেকে ২০১৪ সাল)

* সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতা হলেন ক্যামেরুনের রজার মিলা। ১৯৯৪ সালের ২৮ জুন রাশিয়ার বিরুদ্ধে খেলার সময় তার বয়স ছিল ৪২ বছর ১ মাস ৮ দিন।

x