কাল আজ কাল

কামরুল হাসান বাদল

বৃহস্পতিবার , ২৬ জুলাই, ২০১৮ at ৫:০৯ পূর্বাহ্ণ
79

পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত আছি তো

গত ত্রিশ বছরে সারা বিশ্বে যে পরিবর্তন ঘটেছে তা বিস্ময়কর। সেটি গত কয়েক শ বছরের পরিবর্তনেরও অধিক। বিশেষ করে প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে। ত্রিশ বছর আগে যা ছিল কল্পকাহিনি এখন তা বাস্তব। খুব দ্রুত পরিবর্তনগুলো ঘটছে। প্রযুক্তির এই পরিবর্তন পাল্টে দিচ্ছে আমাদের জীবনধারা। বিশ্বাস, ধারণা এবং সম্ভবত বিবর্তন। এই পরিবর্তন যে শুধু ইতিবাচক তা নয়। প্রযুক্তির উন্নয়ন এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে যা কিছু কিছু ক্ষেত্রে মানবসভ্যতা বা এ গ্রহে মানবের বসবাসের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। এমনিতেই বিশ্বের কয়েকটি দেশে যে পারমাণবিক অস্ত্রের মজুত আছে তা দিয়েই বিশ্বকে ধ্বংস করা যাবে অনেকবার।

আমার জন্ম ষাট দশকের শুরুতে। প্রকৃতভাবে দেখতে এবং কিছুটা বুঝতে শুরু করেছি সত্তর দশক থেকে। অন্তত গত চার দশকে যে পরিবর্তন দেখলাম তাতেই অবাক হয়ে যাই। ভাবি, আমার চেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ চল্লিশ, পঞ্চাশ দশকে জন্ম নিয়েছিলেন তাদের চোখে পরিবর্তন আরও বিস্ময়কর। এক সময় যে বাসায় একটি ল্যান্ড ফোন থাকতো তাদের কী ভাগ্যবান আর সুখীই না মনে হতো। কারো কাছে একটি ফোন করার ইচ্ছা নিয়ে এই শহরে কতই না ঘুরেছি। আহা একটি ফোন! সেটিও কত অধরা ছিল আমাদের মতো পরিবারের সন্তানদের কাছে। আজ টি অ্যান্ডটির সেই ল্যান্ড ফোন অনেকটা পরিত্যক্ত। ঘরের কোনো একটি কোণায় তার ঠাঁই। কালেভদ্রে কোনো পুরনো স্বজনের ফোন বেজে উঠলে মনে পড়ে ঘরে আরও একটি যন্ত্র আছে। ফোন ধরতে ধরতে মনে করার চেষ্টা করি শেষ কবে ফোনের বিল জমা দিয়েছিলাম। কত বছরেরই বা ব্যবধান। আজ অনেকে এক রুম থেকে অন্য রুমের কারো সাথে অনেক সময় কথা সেরে নিই মোবাইলে। একটি মোবাইল সেট বর্তমানে আপনার হাতে থাকা মানে পুরো বিশ্বের সমস্ত তথ্য আপনার হাতে থাকা। এই তো মনে হয় সেদিনের ঘটনা। মানুষের বাড়ির ছাদে ছাদে শোভা পেতো নানা ধরনের অ্যান্টেনা। এমনকি ডেকচির ঢাকনা পর্যন্ত। অনেকের বড় দায়িত্ব হয়ে দাঁড়াতো দিনে কয়েকবার সে ঢাকনা ডানেবামে ঘোরানো আর নিচে দাঁড়িয়ে থাকা কাউকে চিৎকার করে জিজ্ঞাসা করা, ক্লিয়ার হয়েছে? দেখা যাচ্ছে? একটি সাপ্তাহিক নাটক দেখার জন্য টিভি আছে এমন প্রতিবেশীকে কত তোয়াজ করতে হতো। মোহাম্মদ আলী ক্লের মুষ্টিযুদ্ধ দেখার জন্য কত মাইল পাড়ি দিয়ে একটি টেলিভিশনের সামনে বসার সুযোগ হয়েছে। এই প্রজন্মের সন্তানদের কাছে তা গালগল্প বলেই মনে হবে।

ষাট দশকের মাঝামাঝিতে চট্টগ্রামে নির্মাণ করা হলো অত্যাধুনিক শপিংমল বিপণি বিতান বা নিউ মার্কেট। অ্যাসকেলেটর বা চলমান সিঁড়ি। স্থাপিত হলো নিউ মার্কেটে, দেশে প্রথমবারের মতো। সে চলমান সিঁড়ি দেখার জন্য তাতে ওঠার জন্য কত দর্শনার্থী ভিড় জমাতো বিপণি বিতানে। মনে হয় এইতো সেদিনের কথা। শুধু জামাইয়ের পাতে দেওয়ার জন্য ‘মোসাম্মান’ বা মহররমের ‘দুরুছ’ চিকেন গ্রিল হয়ে খাবারের দোকানে দোকানে সামনের দিকে শোভা পাবে ভেবেছিল কেউ? পরিবর্তনের বিষয়গুলো তুলে ধরে শেষ করা যাবে না। এই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতে আমাদের জন্য কী অপেক্ষা করছে তার একটি ধারণা তুলে ধরার জন্য আজকের লেখার অবতারণা।

গত বুধবার ১৮ জুলাই রাতে আজাদী অফিসে গিয়েছিলাম। মাঝে মধ্যে যাই। সে রাতে অফিসে ঢুকতেই দেখা হলো পত্রিকার সম্পাদক আমার অগ্রজপ্রতিম এম এ মালেক সাহেবের সাথে। তিনি অত্যন্ত প্রাণবন্ত একজন মানুষ, অত্যন্ত ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির একজন মানুষ। আমি তাঁকে কোনোদিন বিষন্নবিমর্ষ অবস্থায় দেখিনি। সব সময় হাসিখুশীময় এই মানুষটিকে পছন্দ করার আরেকটি কারণ তাঁর সেন্স অব হিউমার এর জন্য। তাঁর রসবোধ অসামান্য। জীবনের প্রতি তাঁর ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তিনি এখনো যে কোনো তরুণের চেয়েও অনেক তারুণ্যদীপ্ত। তিনি তাঁর রুমে ডেকে নিয়ে গেলেন। চা আনতে বলে বিভিন্ন বিষয়ের অবতারণা করলেন। যেদিন তাঁর অফিসে গিয়েছিলাম তার আগের দিন তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন অতিথি হিসেবে। সে প্রসঙ্গ তুলতেই তিনি পাশের টেবিল থেকে একটি কম্পোজ করা কাগজ তুলে নিলেন। বললেন, ‘সাংবাদিকতা বিভাগের আমন্ত্রণে গিয়ে আমার বক্তৃতায় আমি লিখিত এই অংশটিও পাঠ করেছি। এটি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে প্রিন্ট বের করে দিয়েছে ওয়াহিদ (তাঁর প্রথম সন্তান এবং আজাদীর পরিচালনা সম্পাদক)। এরপর তিনি পুরো বিষয়টি পড়ে শোনালেন। ইংরেজিতে লেখা পাঠ করার সময় মাঝেমধ্যে তিনি নিজেই তার তরজমা করে দিচ্ছিলেন। এই টেক্সটি আমিও পেয়েছি। আমার মেসেঞ্জারে পাঠিয়েছেন কয়েকজন। পড়ে চমৎকৃত হয়েছিলাম বলে আমি আমার ছেলের কাছে পাঠিয়েছিলাম তা। মালেক সাহেব অত্যন্ত আধুনিক মানুষ। তাঁর সঙ্গে সংগঠন করতে গিয়েও সে পরিচয় পেয়েছি। টেক্সটি পড়ে শেষ করে বললেন, পরিবর্তনের সাথে নিজেকে কিংবা নিজেদের মানিয়ে নিতে না পারলে জীবন যুদ্ধে পরাজিত হতে হবে। তাঁর দৃঢ়তা দেখে মনে হলো, পরিবর্তন মেনে নিতে এবং তার সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে তিনি প্রস্তুত।

পাঠকদের মধ্যে যারা ফেসবুক ব্যবহার করেন কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাদের অনেকের পড়া হয়েছে টেক্সটি। একটু অগ্রসর পাঠক যারা তারাও নানা সূত্র থেকে এটি পড়ে নিয়েছেন হয়ত। তা সত্ত্বেও লেখাটির বাংলা অনুবাদ তুলে দিতে চাই বৃহত্তর পাঠকের সুবিধার জন্য। আমি অনেক চেষ্টা করেও লেখাটির মূল লেখক কে তা বের করতে পারিনি। সে জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। কেউ জানালে আগামী সংখ্যায় তা উল্লেখ করবো। লেখাটি হুবহু এমনকোডাক কোম্পানিকে মনে আছে? ১৯৯৮ সালে কোডাক কোম্পানিতে প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার কর্মচারী কাজ করতেন। এবং বিশ্বে ছবি তোলার প্রায় ৮৫%ই কোডাক ক্যামেরায় তোলা হত। গত কয়েক বছরে মোবাইল ক্যামেরার বাড়বাড়ন্ত হওয়ায় এমন অবস্থা হয় যে কোডাক ক্যামেরার কোম্পানিটাই উঠে যায়। এমনকি কোডাক সম্পূর্ণ দেউলিয়া হয়ে পড়ে এবং এদের সমস্ত কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক ছাঁটাই করা হয়। ওই একই সময়ে আরো কতগুলি বিখ্যাত কোম্পানি তাদের ঝাঁপ পাকাপাকি বন্ধ করতে বাধ্য হয়। যেমন এইচএমটি (ঘড়ি) বাজাজ স্কুটার, ডায়ানোরা টিভি, মারফি রেডিও, নোকিয়া মোবাইল রাজদূত বাইক অ্যাম্বাসেডর (গাড়ি)। এই উপরের কোম্পানিগুলোর মধ্যে কারুরই কোয়ালিটি খারাপ ছিল না। তবুও এই কোম্পানিগুলো উঠে গেল কেন? কারণ এরা সময়ের সাথে নিজেকে বদলাতে পারেনি। এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে আপনি হয়তো ভাবতেও পারছেন না যে সামনের ১০ বছরে দুনিয়া কতটা পাল্টে যেতে পারে! এবং আজকের ৭০%-৯০% চাকরিই সামনের ১০ বছরে সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত হতে চলেছে। আমরা ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েছি ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লব’ এর যুগে। আজকের বিখ্যাত কোম্পানিগুলোর দিকে তাকানউবার। কেবলমাত্র একটি সফটওয়ার এর নাম। না, এদের নিজস্ব কোন গাড়ি নেই। তবু আজ বিশ্বের বৃহত্তম ট্যাক্সিভাড়ার কোম্পানি হল উবার এয়ার বিএনবি হল আজকের দুনিয়ার সব থেকে বড় হোটেল কোম্পানি। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, পৃথিবীর একটি হোটেলও তাদের মালিকানায় নেই। একইভাবে পেটিএম ওলা ক্যাব, ওয়োরুমস ইত্যাদি অসংখ্য কোম্পানির উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। আজকে আমেরিকায় নতুন উকিলদের জন্য কোন কাজ নেই, কারণ আইবিএম ওয়াটসন নামে একটি আইনি সফটওয়ার যে কোন নতুন উকিলের থেকে অনেক ভাল ওকালতি করতে পারে। এইভাবে পরের ১০ বছরে প্রায় ৯০% আমেরিকানদের আর কোন চাকরি থাকবে না। বেঁচে থাকবে খালি বাকি ১০%। এই ১০% হবে বিশেষ বিশেষজ্ঞ। নতুন ডাক্তারদেরও চাকরি যেতে বসেছে। ওয়াটসন নামের সফটওয়ার মানুষের থেকেও ৪ গুণ নিখুঁত ভাবে ক্যানসার এবং অন্যান্য রোগ শনাক্ত করতে পারে। ২০৩০ সালের মধ্যে কম্পিউটারের বুদ্ধি মানুষের বুদ্ধিকে ছাপিয়ে যাবে। ২০১৯ সালের মধ্যেই রাস্তায় নামতে চলেছে চালকহীন গাড়ি। ২০২০ সালের মধ্যেই এই একটা আবিষ্কার বদলে দিতে পারে গোটা দুনিয়ার চালচিত্র। এর ফলে সামনের ১০ বছরে আজকের ৯০% গাড়িই আর রাস্তায় দেখা যাবে না। বেঁচে থাকা গাড়িগুলো হয় ইলেকট্রিকে চলবে অথবা হাইব্রিড গাড়ি হবে। রাস্তাগুলো ক্রমশঃ ফাঁকা হতে থাকবে। পেট্রোলের ব্যবহার কমবে এবং পেট্রোল উৎপাদনকারী আরব দেশগুলি ক্রমশঃ দেউলিয়া হয়ে আসবে। তখন গাড়ি লাগলে, উবারের মত কোন সফটওয়ারএর কাছেই গাড়ি চাইতে হবে। আর গাড়ি চাইবার কিছুক্ষণের মধ্যেই সম্পূর্ণ চালক বিহীন একটা গাড়ি আপনার দরজার সামনে এসে দাঁড়াবে। আপনি যদি অনেকের সাথে ওই একই গাড়িতে যাত্রা করেন, তাহলে মাথাপিছু গাড়িভাড়া বাইকের থেকেও কম হবে। গাড়িগুলো চালকবিহীন হবার ফলে ৯৯% দুর্ঘটনা কমে যাবে। এবং সেই কারণেই গাড়িবীমা করানো বন্ধ হবে এবং গাড়িবীমার কোম্পানিগুলো সব উঠে যাবে। গাড়ি চালানোর মত কাজগুলো আর পৃথিবীতে বেঁচে থাকবে না। ৯০% গাড়িই যখন রাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাবে, তখন ট্রাফিক পুলিশ এবং পার্কিংএর কর্মীদেরও কোন প্রয়োজন থাকবে না। ভেবে দেখুন, আজ থেকে ৫১০ বছর আগেও রাস্তার মোড়ে মোড়ে এসটিডি বুথ ছিল। দেশে মোবাইল বিপ্লব আসার পর, এই সবকটা এসটিডি বুথই কিন্তু পাততাড়ি গুটাতে বাধ্য হল। যেগুলো টিকে রইল, তারা মোবাইল রিচার্জের দোকান হয়ে গেল। এরপর মোবাইল রিচার্জেও অনলাইন বিপ্লব এল। ঘরে বসেই অনলাইনে লোকে মোবাইল রিচার্জ করা শুরু করল। এই রিচার্জের দোকানগুলোকে তখন আবার বদল আনতে হল। এরা এখন কেবল মোবাইল ফোন কেনাবেচা এবং সারাইয়ের দোকান হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সেটাও বদলাবে খুব শিগগিরই। আমাজন, ফ্লিপকাট থেকে সরাসরি মোবাইল ফোন বিক্রি বাড়ছে। টাকার সংজ্ঞাও পাল্টাচ্ছে। একসময়ের নগদ টাকা আজকের যুগে “প্লাস্টিক টাকায়” পরিণত হয়েছে। ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ডের যুগ ছিল কদিন আগেও। এখন সেটাও বদলে গিয়ে হয়ে যাচ্ছে মোবাইল ওয়ালেটএর যুগ। পেটিএম এর রমরমা বাজার, মোবাইলের এক টিপে টাকা এপারওপার। যারা যুগের সাথে বদলাতে পারে না, যুগ তাদের পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়। তাই ক্রমাগত যুগের সাথে বদলাতে থাকুন। সাফল্যকে সাথে রাখুন, সময়ের সাথে থাকুন।

বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। মানুষের তুলনায় ভূমির পরিমাণ অত্যন্ত কম। এখানে ভূমির অভাবে একটি আন্তর্জাতিকমানের বিমানবন্দর নির্মাণ করা সহজ হচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্যসহ কয়েকটি দেশে শ্রমবাজার সৃষ্টি হওয়ার পর অনেকে বলেছিলেন জনসংখ্যা আমাদের বোঝা নয় সম্পদ। এখন বিশ্বের শ্রম বাজার ছোট হয়ে আসছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কারণে যেখানে কাজের মানুষের প্রয়োজনই অনেক কমে যাবে সেখানে আমাদের এত উদ্বৃত্ত শ্রমিক বা মানুষ নিয়ে কী করব? মুক্তিযুদ্ধের সময়ে আমাদের দেশের লোকসংখ্যা ছিল সাড়ে সাত কোটি। স্বাধীনতার পর থেকে যদি জনসংখ্যারোধ করা যেত এই হার যদি শূন্য মাত্রায় অর্থাৎ দুটি সন্তানেই সীমাবদ্ধ করা যেত তাহলে দেশের অবস্থা আজ এমন থাকতো না। পরিকল্পিত এবং সুচারুভাবেই সব পরিচালিত হতো। জেনারেল এরশাদের শাসনামলে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি জোরালোভাবে পরিচালিত হলেও অন্য সরকারগুলোর সময়ে সেভাবে হয়নি। ফলে আমাদের জন্য বিশাল ঝুঁকি ও বিপদ অপেক্ষা করছে বলে মনে হয়। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর শীর্ষে অবস্থান করছে। তার আলামত এখন থেকেই দৃশ্যমান হচ্ছে। তার সঙ্গে প্রযুক্তিগত পরিবর্তনজনিত পরিস্থিতি সামনের বাংলাদেশকে কোন পরিস্থিতির সামনে নিয়ে যাবে তা ভাবতেই আতংকিতবোধ করছি। তারপরও ভরসা রাখি, রাখতে হবে মানুষের ওপর। নিশ্চয়ই মানুষ তার বাঁচার পথ তৈরি করে নেবে? লক্ষ লক্ষ বছর ধরে যেভাবে নিয়ে এসেছে।

Email: qhbadal@gmail.com

x