কর্ণফুলীর পাড়ে দেড়শ’ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ৩ দিনে

আজাদী অনলাইন

বুধবার , ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ at ১১:০৭ অপরাহ্ণ
397

কর্ণফুলীর উত্তর পাড়ে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রেখেছে প্রশাসন। উচ্ছেদের তৃতীয় দিন আজ বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ৪০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এ নিয়ে ৩ দিনে দেড়শ’ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হলো কর্ণফুলীর তীরে।

সকাল ৯টায় কর্ণফুলীর মাঝির ঘাট এলাকায় অভিযান শুরু হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযান হাবিব গলি এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন পতেঙ্গা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিলুর রহমান। তাকে সহায়তা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম। বাংলানিউজ

সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিলুর রহমান জানান, দ্বিতীয় দিনের মতো তৃতীয় দিনেও পাকা স্থাপনাই উচ্ছেদ করা হয়েছে বেশি। ৪০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে নদী তীরের প্রায় ১০০ মিটার এলাকা দখলমুক্ত করা হয়েছে। উচ্ছেদ করা স্থাপনার মধ্যে লবনসহ কয়েকটি ভোগ্য পণ্যের গুদাম রয়েছে।

তিনি জানান, কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ ছিল। শেষ পর্যন্ত আমরা সফল হয়েছি। উচ্ছেদ অভিযান চলছে। যেকোনো মূল্যে তা অব্যাহত রাখা হবে। প্রতিটি অবৈধ স্থাপনা হাইকোর্টের আদেশে ‘নির্দয়ভাবে’ গুঁড়িয়ে দেয়া হবে।

ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী অভিযান চালানো হচ্ছে। যত দিন সব স্থাপনা উচ্ছেদ না হবে ততদিন অভিযান চলবে। সদরঘাট থেকে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত ২০০ অবৈধ স্থাপনা আছে। এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করে ১০ একর জমি উদ্ধার হবে। কে বড়, কে ছোট-সেটি বিবেচ্য নয়। সব অবৈধ স্থাপনেই উচ্ছেদ করা হবে।’

এর আগে উচ্ছেদ অভিযানের প্রথম দিন সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কর্ণফুলীর সদরঘাটের লাইটার জেটি এলাকা থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়। এ সময় প্রায় ১ কিলোমিটার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ৪ একর ভূমি দখলমুক্ত করা হয়।

দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) মাঝির ঘাট এলাকায় ৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। দখল মুক্ত করা হয় একটি উপখালের মুখ।

অভিযানে র‌্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য অংশ নেন। ১০০ শ্রমিক উচ্ছেদ অভিযানে অবৈধ স্থাপনা ভাঙার কাজ করেন।

x