কর্ণফুলিকে বাঁচান

বুধবার , ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ at ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ
28

চট্টগ্রামের প্রাণ কর্ণফুলি নদীটি যেন এখন লাইফ সাপোর্টে আছে। মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। দখলদার আর ক্ষমতাসীনদের প্রভাবে অবৈধ ভাবে দখল করে নদী ভরাট করে নদীর পাশে গড়ে তোলা হয়েছে একের পর এক অবৈধ স্থাপনা। মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে মাননীয় ভূমি মন্ত্রী রাখডাক করে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করলেও বাস্তবে তা ছিল লোকের চোখে ধূলি দেওয়া। রাঘব বোয়ালদের স্থাপনাগুলো বহাল তবিয়তেই আছে। নামকাওয়াস্তে কিছু চুনোপুঁটির ঘর-বাড়ি উচ্ছেদ করা হয়। যা এখন আবার পুনরায় দখল করা হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযানটি বহুল আশা-আকাঙ্‌ক্ষার প্রতীক ছিল।
সাধারণ মানুষ আশায় বুক বেঁধেছিল এবার যদি কর্ণফুলি ভূমি দস্যুদের কবল থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। না তা আর হলো কয়। মাঝপথে কি এক অজুহাত খুঁজে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর পেছনে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের প্রভাব আছে বলে জনমনে গুঞ্জন রয়েছে। কর্ণফুলির দুপাড় সংকুচিত হতে হতে এখন তার মরণ দশা। এর উপর শিল্প কারখানার দূষিত রাসায়নিক বর্জ্য সমূহ প্রবাহিত করা হয় এই নদীতে। একসময় কর্ণফুলির পানিতে ডলফিন দেখা গেলেও এখন আর চোখে পড়েনা। নদীর নাব্যতা হারিয়েছে অনেকাংশে। তার জন্য জাহাজ চলাচলে বিঘ্‌নতা ঘটছে। নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর ড্রেজিং ও দু ধারের সকল অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদাভিযান পুনরায় চালু করুন। মহামান্য হাইকোর্টের রায়কে কার্যকর করুন। কর্ণফুলিকে বাঁচান। কর্ণফুলি বাঁচলে বাঁচবে চট্টগ্রাম। কর্ণফুলিকে ফিরিয়ে দেয়া হোক তার হারানো যৌবন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
সিরাজুল মুস্তফা, চট্টগ্রাম।

x