করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনাসমগ্র

ফেরদৌস আরা আলীম

শনিবার , ১১ আগস্ট, ২০১৮ at ৪:৫৩ পূর্বাহ্ণ
31

গল্পে যাদের আগ্রহ রয়েছে, গল্প যাঁরা ভালবাসেন তাঁরা করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প পড়ে অনাস্বাদিতপূর্ব গল্পের স্বাদ পাবেন। চেনাজানা মানুষদের নিয়েই তাঁর গল্প। এক্ষেত্রেও সম্পাদকের কথা ধার করে বলছি ‘গুছিয়ে বলা নিটোল গল্পের চেয়ে অনুপুঙ্খের উদ্ভাসে, কখনও গভীর কখনও বোধের অত্যন্ত সংযত ও সংবৃত দ্যোতনায় বা আভাসে তাঁর রচনার সিদ্ধি’। আমরা পাঠককে তাঁর চিঠি গল্পটি পড়ার অনুরোধ জানাই। অতঃপর তিনি বাকি সবকটা গল্প সোৎসাহে পড়বেন বলেই আশা করি। এরপর ৪টি অনুবাদ কর্ম, পরিচিতজন শিরোনামের ৪টি লেখা এবং ব্যক্তিগত রচনা এবং সবশেষে বলি অসাধারণ প্রথম লেখাটির কথা যার কথা না বললেই নয়।

ছেলের বড়ো হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে মা ছেলের সম্পর্কে অবশ্যম্ভাবী কিছু পরিবর্তন আসে। সংঘাত ও বেদনার মিশেলে মাণিকের (সত্যজিৎ রায়) ছবির কোনো তুলনা করুণা আর কোথাও পাননি। অপরাজিত ছবিতে অভিনয়ের স্মৃতি তিনি ভোলেননি কোনোদিন।

পথের পাঁচালির সর্বজয়ার গল্প শোনাবো কথা দিয়েছিলাম। দুখণ্ডে করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়সমগ্র পাঠককে কতটা টানতো বলা কঠিন তবে শিরোনামের শিরে যখন সর্বজয়াচরিত্র ১ এবং ২ এবং আটপৌরে শাড়িতে, আধখানা ঘোমটায়, মেঘলা মুখে, সিঁদুর টিপে, শাখাপরা করুণ হাতে গৃহকর্মে রত সর্বজয়া যখন প্রচ্ছদ জুড়ে বসে থাকে তখন সে বইখানি হাতে না নিয়ে পারেন কোনও পাঠকঅন্তত আজকের ভাটিবেলার পাঠকেরা? হ্যাঁ, সূচিপত্রে চলচ্চিত্র স্মৃতি, চলচ্চিত্র চিন্তা, চলচ্চিত্র সমালোচনা সিনেমাপ্রেমী সিনেমাবোদ্ধাদের আকর্ষণ হতেই পারে। গ্রন্থের মুখবন্ধে এ প্রসঙ্গে সম্পাদক শমীক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘…চুনীবালা দেবী বা করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শিল্পীরা কীভাবে তাদের ব্যক্তিব্যক্তিত্বকে এই সমবায়িকতার (যথার্থ আধুনিক চিত্রনির্মাণে চিন্তা, শৃঙ্খলা ও প্রস্তুতির সঙ্গে অভিনেতাঅভিনেত্রীসহ সমগ্র মণ্ডলীর যৌথ আত্মনিয়োগ) মধ্যে ন্যস্ত করেছিলেন, আর পরিচালক কীভাবে সেই নিজকীয়তার সঙ্গে তাঁর বিশিষ্ট মিথস্ক্রিয়া রচনা করেছিলেন …..অন্যধরনের চিত্রনির্মাণের এই কৃষ্টির’ ব্যাপারে আগ্রহীদের কাজে লাগবে এই লেখাগুলি।

গল্পে যাদের আগ্রহ রয়েছে, গল্প যাঁরা ভালবাসেন তাঁরা করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প পড়ে অনাস্বাদিতপূর্ব গল্পের স্বাদ পাবেন। চেনাজানা মানুষদের নিয়েই তাঁর গল্প। এক্ষেত্রেও সম্পাদকের কথা ধার করে বলছি ‘গুছিয়ে বলা নিটোল গল্পের চেয়ে অনুপুঙ্খের উদ্ভাসে, কখনও গভীর কখনও বোধের অত্যন্ত সংযত ও সংবৃত দ্যোতনায় বা আভাসে তাঁর রচনার সিদ্ধি’। আমরা পাঠককে তাঁর চিঠি গল্পটি পড়ার অনুরোধ জানাই। অতঃপর তিনি বাকি সবকটা গল্প সোৎসাহে পড়বেন বলেই আশা করি। এরপর ৪টি অনুবাদ কর্ম, পরিচিত জন শিরোনামের ৪টি লেখা এবং ব্যক্তিগত রচনা এবং সবশেষে বলি অসাধারণ প্রথম লেখাটির কথা যার কথা না বললেই নয়।

সর্বজয়া’ শীর্ষক রচনাটি পাঠের অভিজ্ঞতা ভোলার নয়। যে বয়সে ‘পথের পাঁচালি’ এবং ‘অপরাজিত’ ছবিতে করুণা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনয় করেন ঠিক তার দ্বিগুণ বয়সে সর্বজয়াকে আর একবার নতুন করে দেখার প্রতিক্রিয়া লিখেছেন এই রচনায়। শুরু করেছেন হাঙ্গেরির এক সমাধিপ্রাঙ্গণে কালো পোশাক পরা এক বিষণ্ন সুন্দরীর গল্প দিয়ে। মেয়েটি যখন তার প্রিয়তমের কবরশিলায় ফুল দিচ্ছে তখন তাকে দেখে এক চিত্রকর তার ছবি না এঁকে পারেনি। দুবছর পরে ভীষণভাবে বদলে যাওয়া সেই মেয়েকে আবার দেখে চিত্রকর তাকে দুবছর আগে আঁকা ছবিটি দেখাতে চায়। মেয়েটি দেখে। দেখে সে মুগ্ধ, অভিভূত। কিন্তু উপহার হিসেবে ছবিটি নিতে সে অস্বীকার করে।

সর্বজয়াকে ফিরে দেখার পর এ গল্পটি করুণার মনে পড়ে যায়। অভিনয় যখন করেন তখনকার বয়সটা ছিল ‘অসুন্দরকে ছাপিয়ে ওঠা স্বাভাবিক সৌন্দর্যের বয়স।’ করুণা দেখলেন বহু বহুদূরে দৃষ্টি নিবদ্ধ সর্বজয়াকে। ও তখন সবাইকে ভুলে গেছে। মৃত কন্যাকে, মৃত স্বামীকে। সর্পিল গতিতে তখন গাঁয়ের ইস্টিশনে রেলগাড়ি ঢুকছে আকাশে কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে। দাওয়ায় বসে ভাবছে সর্বজয়াঅপু কি এল? একটি ডাকের অপেক্ষায় জ্বরতপ্ত ক্লান্ত শরীরে অপেক্ষমাণ সর্বজয়া। ‘ওর শরীর বয় না, মনটাও উধাও। এই খানটায় এসে এ অংশটির স্যুট্‌িং এর স্মৃতি মনে পড়বে করুণার। চোখে জল আনতে কী যে কষ্ট হয়েছিল সেদিন। জল যখন এল তখন নিজেকে টেনে হিঁচড়ে দরোজার কাছে নিয়ে গিয়ে বন্ধ দরজাটার হুড়কা খুলে কি দেখল সর্বজয়া? দেখল অন্ধকারের সমুদ্রে জোনাকির সাঁতার; অপু কোথায়?

এবার করুণা প্রশ্ন করছে সর্বজয়াকে। কেন নিজের অসুখের কথা অপুকে না জানানোর অনুরোধ করেছিল নীরুকে? কেন? করুণা লিখছেন, ‘তোমার রাগ, তোমার অভিমান, তোমার একা সহ্য করার অহঙ্কার? তুমি কি সত্যিই ভেবেছিলে অপুর পড়ার ক্ষতি হবে? দুনিয়ার সমস্ত মায়ের বেদনা একলা বহন করে তোমার দিন শেষ হলো সর্বজয়া। কিন্তু শেষ কি হলো? শেষ নেই তার শেষ হয় না’। প্রশ্নে প্রশ্নে সর্বজয়াকে জর্জরিত করছেন করুণা। কি পেলে তুমি? দারিদ্র্য, মৃত্যু আর বিচ্ছেদ। ইন্দির ঠাকরুনের প্রতি নিষ্ঠুরতাতেও তুমি অসামান্য। কেন জানো? আর কারো উপর প্রতিবাদের আঘাত হানার পথ যদি তোমার থাকতো, তুমি হয়তো এতটা নিষ্করুণ হতে না। ইন্দিরের বহিষ্কার তোমার জীবনযুদ্ধের অঙ্গ। তুমি তাকে আঘাত হানতে পেরেছিলে কারণ সে তোমার চেয়েও অসহায় জীব। কিন্তু শেষ অবধি তুমি হেরে গেলে।’

সেদিনের অবুঝ, অবোধ সর্বজয়াকে যেন জ্ঞান দিতে চাইছেন আজকের করুণা। পরিণত, বয়স্ক, মনস্ক প্রাজ্ঞ সর্বজয়া (করুণা)। করুণা বলছেন,‘তোমার আচার, বড়ি আর কাসুন্দির লোভ ছাপিয়ে, সাধের সানডায়ালের মায়া কাটিয়ে অপুর মন যে এক বৃহত্তর জ্ঞানের জগতে প্রবিষ্ট এ ঠিক স্পষ্ট না বুঝলেও এটা তো বুঝেছিলে যে তোমার চেনাজানা জগতের নিয়মকানুন, বাধা নিষেধ এবং সেইসঙ্গে তোমাকেও কিছুটা সরিয়ে দিতে পেরেছে অপু। একবার ট্রেন ছেড়ে দিয়ে অপু ফিরে এসেছিল বটে তবে ওই একবারই। আসলে মায়ের প্রতি অপুর অবহেলা এ নয়, ইচ্ছাকৃত তো নয়ই। এই প্রকৃতির নিয়ম। পৃথিবীটা ধাবমান। আমাদের মন স্থানু, গতিহীন। হোক সে নিশ্চিন্দিপুর, হোক বিরাট শহর। সর্বজয়াকে অন্তত তার সৌন্দর্যকেও আর ঈর্ষা করেন না করুণা। বরং ‘নতুন ব্যাপ্তিতে, গভীর অর্থবহতায়’ তাকে নতুন করে বোঝার চেষ্টা করেন, ভালবাসেন কারণ, নিজেকে আর তার একা মনে হয় না। ‘তোমার দুনিয়া আমার দুনিয়া এক নয়, নাই বা হল। সকাল আর সন্ধ্যেয় কি মিল থাকে? তবু তারা একটা পুরো দিন। দরজা খুলে একদিন যদি দেখি আলো নেই, শুধুই অন্ধকার, জানব আমার পাশে তুমি আছ, তখন অন্ধকারে হাত বাড়ালে তুমি আমার হাতটা ধরবে, এ আমি নিশ্চয়ই জানি।’ সর্বজয়ার বাইরে নিজেকে তিনি যে ভাবতেই পারতেন না তার পরিচয় দুটি খণ্ডের অনেক লেখাতেই মেলে।

সর্বজয়াচরিত্র ২ একইভাবে শুরু করা ‘যা মনে আসে’ শীর্ষক (,,৩ করে ৩১টি নিটোল স্বল্পভাষ গদ্যে তাঁর আসমগ্র জীবনের কত গল্প, কত কথা, কত স্মৃতি…) প্রথম রচনার পর রয়েছে তাঁর ৩টি সাক্ষাৎকার। তার আগেভাগে পাঠককে জানিয়ে দেওয়া হয় যে মুখোমুখি সাক্ষাৎকার বা আলোচনায় করুণা কখনও বসেননি। লিখিত প্রশ্নের উত্তরে নিজের লেখাটি সযত্নে লিখে দিয়েছেন তিনি। সেক্ষেত্রে পূর্ব পাঠের অভিজ্ঞতা পাঠককে এক অমোঘ টানে টেনে নিয়ে যাবে তাঁর কাছে।

বিতক’ ও ‘সখী সংবাদে’ উপরি পাওয়ার মতো রয়েছে যথাক্রমে নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘খেলনা’র মতো একটি গল্প এবং মীণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়ের আমাদের ‘সখী সংবাদ’এর মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি নিবন্ধ। এমন মূল্যবান উপরি পাওয়া রচনাসমগ্রের উভয়খণ্ডে নানাভাবে বিশেষ করে সম্পাদকীয় ভাষ্যে প্রচুর রয়েছে। সবশেষে পত্রগুচ্ছ এবং পত্রগুচ্ছ নিয়ে প্রসঙ্গকথা। ভাই বোনে, ননদেবৌদিতে, মায়েতেমেয়েতে, নাতিনাতনি ও ঠাকুরমায়ে এতটা বয়স জুড়ে এত এত চিঠি, এত আকুলতাব্যগ্রতাঅন্তরঙ্গতা, এত মহার্ঘ সব ক্ষুদ্রতুচ্ছ খবরাখবর, লেনাদেনায় ভরা সব চিঠিপাঠককে বুঁদ করে রাখার এমন আয়োজন আজকের দিনে দুর্লভ বই কি!

চলচ্চিত্রস্মৃতির’ অন্তর্গত ‘সত্যজিৎ টুকরো কথা’র কিছু কথা বলে শেষ করতে চাই।

সত্যজিৎ রায় তখন শেষশয্যায়। তাঁর অসুস্থতা ক্রমশ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের আওতার বাইরে চলে যাচ্ছে। রেডিও থেকে প্রচারিত শারীরিক বুলেটিনও যখন আর আশাপ্রদ ছিল না তখন স্মৃতির ঝাঁপি খুলে বসেছেন করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়। মাণিকের সঙ্গে তাঁর কাজের এবং অকাজের স্মৃতি তো কম নয়। সত্যজিৎ রায় স্বামীর বন্ধু তো বটেই তাছাড়া তাঁদের পারিবারিক হৃদ্যতাও ছিল গভীর। অন্যদিকে করুণা ও তাঁর স্বামী সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহপাঠী বন্ধুই ছিলেন।

সর্বজয়ার পরে সত্যজিৎ রায়ের হরসুন্দরী (দেবী চলচ্চিত্রে) ও লাবন্য (কাঞ্চনজঙ্ঘা ছবিতে) চরিত্রে তিনি অভিনয় করেন। সর্বজয়া লড়েছেন দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে, হরসুন্দরী অন্ধ সংস্কারের বিরুদ্ধে এবং লাবণ্য লড়েছেন একনায়ক স্বামীর স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে। অবশ্য নারীর প্রতি সত্যজিৎ রায়ের বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি (যা তাঁর সমগ্র সামাজিক মূল্যবোধেরই প্রকাশ) অন্য সব ছবিতেও ছিল বলে জানিয়েছেন করুণা। অসাধারণ ভাষ্যে তিনি জানান ‘শেষ দু’তিনটি ছবি ছাড়া মানিক অবন ঠাকুরের মতোই ছবি দিয়ে গল্প লিখেছে। তেমনি তার গল্পগুলোতে কথা দিয়ে এঁকেছে ছবি।’

ছেলের বড়ো হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে মা ছেলের সম্পর্কে অবশ্যম্ভাবী কিছু পরিবর্তন আসে। সংঘাত ও বেদনার্ল মিশেলে মাণিকের (সত্যজিৎ রায়) ছবির কোনো তুলনা করুণা আর কোথাও পাননি। অপরাজিত ছবিতে অভিনয়ের স্মৃতি তিনি ভোলেননি কোনোদিন। কাঞ্চজঙ্ঘা ছবিতে যখন অভিনয়ের ডাক এলো করুণার রক্তে তখনও হরসুন্দরীর (দেবী) তেজ। আবার মা? অনুভার মা অর্থাৎ বেশ বয়স্ক মহিলার ভূমিকা। করুণাকে চুপচাপ দেখে মাণিক একদিন ফোন করে কিছু অপ্রিয় কথা শুনিয়ে দিলেন। করুণা মঙ্কুর (সত্যজিতের স্ত্রী) সামনেই অভিযোগের আঙ্গুল তুললেন। মঙ্কু অবাক। ‘কেন বললে ওকে এসব কথা?’ ‘আধা সলজ্জ, আধা দুষ্টু’ মাণিকের উত্তরটি ছিলঃ বলে দিলামদেখতে তো পাচ্ছি না।

কাঞ্চনজঙ্ঘা করুণার (সত্যজিতের ও কি?) প্রথম রঙিন ছবি। সুব্রত মিত্র করুণার মুখে আরও কিছু বলিরেখা চাইলেন। করুণা গলা তুলে অনন্তবাবুর (মেকআপম্যান) উদ্দেশ্যে বললেন, …. কিছু রিংকল বাকি রাখুন, এরপরে তো আমাকে ছবিবাবুর মার পার্ট করতে হবে।’ পেছন থেকে তখন আচমকা ভেসে এল সত্যজিৎ রায়ের জলদগম্ভীর স্বর: এখনই হয়েছে কি, এর পরে আমার রঙিন ‘পথের পাঁচালি’তে তুমি হবে ইন্দির ঠাকরুণ।’

বহু বহু বছর পরে দীর্ঘদিনের অসুস্থতায় ভগ্নস্বাস্থ্য করুণা স্বামীসহ দেখতে গেলেন অসুস্থ সত্যজিৎ রায়কে। রঙিন ‘পথের পাঁচালি’র প্রসঙ্গ তুলে করুণা বললেন ‘ইন্দির ঠাকরুন তৈরি।’ তাৎক্ষণিক উত্তর সত্যজিৎ রায়ের: সর্বজয়া করবে কে, রুনকী? করুণার মেয়ে রুনকী পথের পাঁচালির্ল্ল ছোট দুর্গার ভূমিকায় অভিনয় করেছিল। এসবের বাইরে আরও নানাভাবে নানা পরিচয়ে করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মেলে তাঁর রচনাসমগ্রে।

x