এসো নীল জলের গল্প শুনি

সোমবার , ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ at ৫:২৫ পূর্বাহ্ণ
29

২১ সেপ্টেম্বর ‘ব্লু-গ্রিন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ’ একটি সমুদ্র সাক্ষরজাতি গঠনে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে অবস্থিত গরীবে নেওয়াজ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ‘নীল জলের গল্প শুনি’ শিরোনামে সমুদ্র সাক্ষরতা স্কুল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এই অনুষ্ঠানের আকর্ষনীয় বিষয় ছিল সমুদ্র ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য পরিচিতি এবং পোস্টার প্রদর্শনী। প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী (৮ম-৯ম শ্রেণী) এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করে।এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মোঃ দিলদার খান দিলু। সভাপতিত্ব করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ব্লু গ্রিন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীরা সমুদ্র পরিচিতি, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও প্লাস্টিক দূষণ বিষয়ে সচেতনতামূলক পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন । বক্তারা বলেন সুষ্ঠু ও টেকসই অর্থনীতি নির্ভর বাংলাদেশ গড়তে সমুদ্র সাক্ষরতার কোন বিকল্প নেই। বঙ্গোপসাগরের উন্নয়ন মানেই, বাংলাদেশের উন্নয়ন। নতুন প্রজন্ম বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা যদি অনুধাবন করতে পারে বঙ্গোপসাগরের উন্নয়নই বাংলাদেশের উন্নয়ন, তবেই তারা সমুদ্র বিজ্ঞানে আগ্রহী হবে এবং টেকসই সমুদ্র অর্থনীতি বা “ব্লু-ইকোনমি” বাস্তবায়নে ও দেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে। তাই বাংলাদেশের প্রতিটি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে এই “সমুদ্র শিক্ষা” প্রসারে “সমুদ্র অলিম্পিয়াড” প্রকল্প আয়োজন করতে হবে। বাংলাদেশ একটি উপকূলবর্তী দেশ। এ দেশের রয়েছে ১১৮,৮১৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সুবিশাল বঙ্গোপসাগর যা দেশের মূলভূখন্ডের আয়তনের কাছাকাছি। সম্ভাবনাময়, সমৃদ্ধ ও বিপুল সম্পদের আধার যে বঙ্গোপসাগর সেটাই কিন্তু সবচেয়ে অজানা ও অবহেলিত অঞ্চল। আমাদের বঙ্গোপসাগর সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, অবারিত সম্পদ ও শক্তির উৎস। বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ উপকূল ও গভীর সমুদ্র বাংলাদেশের জন্য কতটা সম্ভাবনাময় তা সর্বসাধারণ এখনো উপলব্ধি করতে পারেনি।
আবার সমুদ্রের অর্থনৈতিক উপযোগ গ্রহণ করতে গিয়ে প্রায়ই টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ উপেক্ষিত হয়। একটি “সমুদ্র সাক্ষর” জাতি গঠনে তাই স্কুল প্রকল্পের কোন বিকল্প নেই। আগামী প্রজন্মকে সমুদ্র সচেতন করতে “ব্লু-গ্রিন ফাউওন্ডেশন বাংলাদেশ” ভবিষ্যতে আরও স্কুল প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্কুল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মাঝে এই সমুদ্র সাক্ষরতা ছড়িয়ে দিতে নিরলসভাবে কাজ করবে। এ লক্ষ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও যথাযথ কতৃপক্ষের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

x