এশিয়া কাপ কঠিন হলেও ভাল কিছুর আশা বিসিবি প্রধানের

ক্রীড়া প্রতিবেদক

শনিবার , ১১ আগস্ট, ২০১৮ at ৪:৪৪ পূর্বাহ্ণ
11

এশিয়া কাপটা যেন বাংলাদেশ দলের জন্য দুর্ভাগ্যের এক কাহিনী। বরাবরই ভাল কিছু করার আশা নিয়ে গেলেও ফিরতে হয় শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়ে। এরই মধ্যে দুবার টুর্নামেন্টটির ফাইনালে গেলেও শেষ পর্যন্ত ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। ২০১২ সালে ফাইনালটাতো এখনো হতাশার প্রতিচ্ছবি হয়ে রয়েছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরের ফাইনালে জয়েল একেবারে কাছে গিয়েও মাত্র ২ রানে হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। এরপর আাবার নিজেদের মাটিতে ২০১৬ সালের টুর্নামেন্টের ফাইনালেও উঠেছিল টাইগাররা। ফরম্যাট যদিও ছিল ভিন্ন। তবে ভারতের সঙ্গে লড়াই করেছিল টাইগাররা। কিন্তু ট্রফি জেতা হয়নি। এবার ভিন্ন দেশে এশিয়া কাপ। এবার আরব আমিরতা অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এশিয়া কাপকে তাই আগের আসরগুলোর তুলনায় বেশ কঠিনই মনে করছেন বিসিবি প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন। তবে সে সাথে আশাও করছেন ভাল কিছু করার।

কেন এশিয়া কাপ কঠিন হবে। এর পেছনে তার যুক্তি হলো, ভারতপাকিস্তান অনেক শক্তিশালী দল। তারা এই টুর্নামেন্টের ফেবারিট দল। শ্রীলঙ্কা আর বাংলাদেশ সমানসমান। যে কেউ জিততে পারে এই দুই দলের লড়াইয়ে। সুতরাং অন্য আসরগুলোর তুলনায় কঠিনই হবে এবারের এশিয়া কাপ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর শেষে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। আর দলের সাথে ফিরেছেন কোচ স্টিভ রোডসও। দলের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের উপর নিজের প্রতিবেদন দাখিল করেন কোচ স্টিভ রোডস। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর শেষে কোচের সঙ্গে সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের নাজমুল হাসান পাপন বলেন আসলে ক্রিকেটে কোন কিছু বলা কঠিন। যদিও বর্তমানে পাকিস্তান দল রয়েছে বেশ ভাল ফর্মে। ভারত তো আগে থেকেই শক্তিশালী। ওখানে আমরা ও শ্রীলঙ্কা একই লেভেলের। আগে শ্রীলঙ্কা অনেক ওপরে ছিল। এখন তারাও আমাদের সাথে একই কাতারে। কাজেই আমরাও জিততে পারি। আবার ওরাও জিততে পারি। সেদিক থেকে এবারের এশিয়া কাপ আমার কাছ মনে হচ্ছে কঠিনই হবে। তার উপর এবারের এশিয়া কাপের খেলা সমুহ হবে একেবারে নতুন পরিবেশে। আরব আমিরাতে খেলাটা সত্যিই কঠিন হবে। তার পরও আমরা সেজন্যই চেষ্টা করছি দলকে আগে পাঠাতে । সে বিষয়ে আলোচনা করছি। এখন দেখা যাক কতটা কি হয়।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি পাপন মনে করেন, যত কঠিনই হোক বাংলাদেশও লড়াই করবে। বিশ্বকাপের ক্রিকেটার বাংলাদেশ দলেও রয়েছে। আমাদের দলেও রয়েছে বিশ্বমানের ক্রিকেটার। তার উপর আমাদের জন্য সুখবর হচ্ছে আমাদের মোস্তাফিজ রয়েছেন বেশ ভাল ফর্মে। দলের অন্যতম ভরসা পাঁচ সিনিয়র ক্রিকেটার আছে সুস্থ। কাজেই আমরা আমাদের দিনে যেকোনো দলকে হারাতে পারি। তবে একটি বিষয় আমাদের সব সময় ভাবিয়ে তুলে। আর তা হচ্ছে আমরা যেকোন প্রতিদ্বন্দ্বীতামুলক ম্যাচে একেবারে শেষের দিকে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলি। তাই আমরা কাজ করছি আরেকবার যদি সুযোগ আসে, তা যেন হাতছাড়া না হয়। কয়েকটা সুযোগ আমরা একেবারে শেষ মুহূর্তে গিয়ে হারিয়েছি। সে রকম যেন আর না হয়। তিনি বলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর থেকে আমরা অনেক কিছু অর্জন করেছি। আগে হয়নি এমন অনেক কিছুই হয়েছে এই সফরে। কাজেই আমাদের এখন লক্ষ্য রাখতে হবে এশিয়া কাপের দিকে। কঠিন পরিস্থিতিতে কিভাবে দলকে জেতানো যায় সেটা নিয়ে আমাদের আরো বেশি ভাবতে হবে।

x