এবার রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

শুক্রবার , ১০ আগস্ট, ২০১৮ at ৮:১১ পূর্বাহ্ণ
28

চলতি অর্থবছরের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এর মধ্যে পণ্য রফতানিতে ৩৯ বিলিয়ন এবং সেবা খাতে ৫ বিলিয়ন ডলার।

গত বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এসময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গত অর্থবছরের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। রফতানি হয়েছে ৪০ বিলিয়ন ৯৪৯ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া ২০১৭১৮ সালে প্রবৃদ্ধি ছিল রফতানি খাতে ৬ দশমিক ৩৬ ভাগ ও সেবা খাতে ৭ দশমিক ৪৩ ভাগ। আর নতুন অর্থবছরে রফতানিতে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৪৭ ভাগ। খবর বাংলানিউজের।

পাশাপাশি গার্মেন্টস বা তৈরি পোষাক খাতে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ৩২ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৭৮ ভাগ। গত বছর এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩০ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। রফতানি হয়েছিল ৩১ বিলিয়নের কাছাকাছি। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ৭৬ ভাগ। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, রফতানির এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালে দেশের মোট রফতানি ৬০ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে। তিনি বলেন, সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে রফতানি ভালো হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পেরেছি। একমাত্র চামড়া খাত ছাড়া আর কোনো নেগেটিভ খাত নেই। অর্থাৎ অন্য কোনো খাতে নেগেটিভ প্রবৃদ্ধি নেই। তৈরি পোশাক খাতে আমাদের অবস্থান খুবই ভালো। আগামী অর্থবছরে এ খাতে ১০ ভাগ প্রবৃদ্ধির আশা করছি। অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে মিটিংয়ে নতুন নয়টি পণ্যে নগদ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগে নগদ সহায়তা দেওয়া হতো ২৭টি পণ্য রফতানিতে। গার্মেন্টস পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে নতুন বাজারের জন্য আমরা নগদ সহায়তার পরিমাণ তিন ভাগ থেকে বাড়িয়ে চার ভাগ করেছি।

তোফায়েল বলেন, চামড়া শিল্পের নেগেটিভ প্রবৃদ্ধির বিষয়ে শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বিষয়টি দেখছেন। এর সমাধান হবে। আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় গেলে নতুন বাজারে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে ৫ শতাংশ।

নির্বাচনের বছর রফতানির লক্ষ্য পূরণে কোনো বাধা হবে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় এ নেতা বলেন, নির্বাচন হবে স্বাভাবিক নিয়মে, শান্তিপূর্ণভাবে। নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব সহকারে নির্বাচন পরিচালনা করবে। এতে কোনো সমস্যা হবে না। আগামী ৩০ নভেম্বরের পর একদিনের জন্যও একর্ড ও অ্যালায়েন্সকে এ দেশে কাজ করতে দেওয়া হবে না বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা একটি স্বাধীনসার্বভৌম দেশ। আমাদের একটি সুপ্রিম কোর্ট আছে, সেই কোর্টের একটি রায় আছে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে একর্ড ও অ্যালায়ান্সকে তাদের কাজ শেষ করতে হবে।

x