এন্টিবায়োটিক ওষুধ সেবন বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সেমিনার

শনিবার , ১২ জানুয়ারি, ২০১৯ at ৫:০৫ পূর্বাহ্ণ
104

চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ফৌজদারহাটস্থ বিআইটিডি সেমিনার কক্ষে ‘এন্টিমাইক্রোবায়াল রেসিস্টান্স (এএমআর) ঃ আ গ্লোবাল থ্রেট’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. ইসমাইল খান।
অধ্যাপক ডা. মো. ইসমাইল খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, পেনিসিলিন আবিষ্কার করে আলেকজেন্ডার ফ্লেমিং সারা পৃথিবীতে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। সেই থেকে এন্টিবায়োটিকের যাত্রা শুরু। আজ এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার চিকিৎসা বিজ্ঞানের সর্বত্র। রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করাই এন্টিবায়োটিকের মূল কাজ। তবে শরীরে রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে সম্পূর্ণ রুপে ধ্বংস করার জন্য প্রতিটি এন্টিবায়োটিক সিরিজের রয়েছে বিশেষ ডোজ। অনেক সময় দেখা যায় ভুল চিকিৎসা কিংবা রোগীর অবহেলার কারনে এই ডোজ সম্পূর্ণ করা হয় না। ফলে দ্রুত বিভাজন ও অভিযোজনক্ষম ব্যাকটেরিয়া হয়ে ওঠে এন্টিবায়োটিক সহিষ্ণু এবং পূর্বের চেয়ে শক্তিশালী। শুধু তাই নয় একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে ওই সিরিজের এন্টিবায়োটিকের কর্মক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে লোপ পায়। একেই বলে এন্টিমাইক্রোবায়াল রেসিস্টান্স (এএমআর)। অনগ্রসর গোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবার পথে এএমআর এখন বড় বাধা।
ডা. মো. ইসমাইল খান আরও বলেন, একটি কমিউনিটিতে চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সকল পেশার মানুষকে সচেতন হতে হবে। চিকিৎসকদের এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করার পূর্বে আরও সতর্ক হতে হবে। শরীরের স্বাভাবিক নিরাময় প্রক্রিয়াকে কাজে লাগিয়ে রোগ উপশম করাই শ্রেয়। একজন রোগীকে শুধু শারীরিক নয় মানসিকভাবে পর্যবেক্ষণ করারও প্রয়োজন রয়েছে। সেমিনারে বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআইটিডির পরিচালক এম এ হাসান চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় উপ রেজিস্ট্রার ডা. হাসিনা নাসরিন, বিআইটিডির উপ-পরিচালক হোসেন রশিদ এবং সঞ্চালক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআইটিডির সহযোগী অধ্যাপক ডা. মামুনুর রশিদ। আরও উপস্থিত ছিলেন বিআইটিডি, ফৌজদারহাট নার্সিং কলেজ, চট্টগ্রাম বক্ষব্যাধি হাস্পাতাল ও ইনস্টিউট অফ হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) এর চিকিৎসকরা। খবর বিজ্ঞপ্তির।

x