এদেশের ফরেনসিক মেডিসিনের জনক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নুরুল ইসলাম

ডাঃ আবু মনসুর মোঃ নিজামুদ্দিন খালেদ

মঙ্গলবার , ২১ মে, ২০১৯ at ৪:০১ পূর্বাহ্ণ
59

কিছু কিছু মহৎপ্রাণ ব্যক্তি সমাজ জীবনে নৈতিকতার এমন এক আবহ সৃষ্টি করেন যার প্রভাবে সমাজের প্রতিষ্ঠানগুলো হয়ে উঠে নৈতিক প্রতিষ্ঠানে। তবে এসব ব্যক্তির সংখ্যা সর্বকালে, সর্বযুগে অত্যন্ত বিরল। অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নুরুল ইসলাম স্যার এমনি এক চরিত্র ও ব্যক্তিত্ব যার বহুবিধ গুণ ও পরিচয় স্ব স্ব ক্ষেত্রে সাফল্যময় এবং গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসক, গবেষক, শিক্ষাবিদ, সুফি, সংগঠক, মানবসেবী ইত্যাদি পরিচয়ের অপূর্ব দ্যোতনার ভিতর তাঁর চরিত্রের সৌন্দর্য যেভাবে ব্যক্তিত্বের মহিমা সৃষ্টি করেছে তার মধ্যেই আমরা তাঁকে উপলব্ধি করতে পারি। অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নুরুল ইসলাম স্যারের সাফল্যমণ্ডিত সুন্দর এক ঈর্ষণীয় জীবন ছিল। তাঁর জীবনটি ছিল মেধায় প্রদীপ্ত, আদর্শে প্রজ্বলিত, মুক্তচিন্তায় উদ্ভাসিত, শিক্ষকতায় নিবেদিত এবং জনকল্যাণে নিয়োজিত। তিনি ছিলেন বহুমাত্রিক গুণে সমৃদ্ধ একজন সফল চিকিৎসক। জীবন সম্পর্কে তাঁর ধারণা ছিল স্বতন্ত্র। আর এই স্বাতন্ত্র্যই তাঁর ব্যক্তিত্বকে করে তোলে আরো বৈশিষ্ট্যময়। অন্য দশজন চিকিৎসকের কর্ম থেকে তাঁর কর্মকে করে তোলে আলাদা। মানুষের জীবনকে সহজ, সরল এবং গতিময় করার জন্য যেমন প্রয়োজন বিজ্ঞান চর্চা, তেমনি প্রযুক্তির নব নব আবিষ্কার আর মানবিক প্রবৃত্তিগুলোকে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রয়োজন ধর্মচর্চা এবং নৈতিকতার উন্নতমান যেন মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নুরুল ইসলাম স্যার তা বিশ্বাস করতেন এবং তাই চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং ধর্মের মধ্যে তথা বিজ্ঞান এবং নৈতিকতার মধ্যে সমন্বয় সাধনই ছিল তাঁর সাধনার বিষয়। জীবনে যেমন প্রয়োজন দক্ষতা, সক্ষমতা এবং নৈপুণ্যের, তেমনি প্রয়োজন সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং পবিত্রতার। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ লাভ করে দক্ষতা ও নৈপুণ্য কিন্তু সততা ও পবিত্রতার জন্য তাকে যেতে হয় ধর্ম ও নৈতিকতার কাছে। তাই বিজ্ঞান ও ধর্ম তথা প্রযুক্তি ও নৈতিকতার মধ্যে সমন্বয় সাধন অত্যন্ত অপরিহার্য । এই দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধিত না হলে জাগতিক ঐশ্বর্যে সমৃদ্ধ হয়েও মানুষ ছটফট করে অশান্তির অনলকুণ্ডে। নানাবিধ অস্থিরতায় জীবন হয় ক্ষতবিক্ষত। নৈতিকতার স্পর্শে পরিশীলিত না হলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যে শুধু ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠে, কল্যাণকর হয় না, পাশ্চাত্যের সমৃদ্ধ সমাজে আজ তা অত্যন্ত পরিস্ফুট। এই প্রেক্ষিতে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নুরুল ইসলাম স্যার ধর্মভিত্তিক শক্তির মূল ধারক হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন চিরন্তন ইসলামকে। কারণ ইসলাম ধর্মীয় আবহগুলোকে সংরক্ষণ ও লালন করার পাশাপাশি বিজ্ঞানের কল্যাণধর্মী প্রয়োজনীয় আবিষ্কারগুলোকে গ্রহণ করে অকুন্ঠ চিত্তে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নকালীন সময়ে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নুরুল ইসলাম স্যারকে আমরা পেয়েছিলাম ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের শিক্ষক হিসেবে। শিক্ষক হিসেবে তিনি ছিলেন অতুলনীয়। শুধু ফরেনসিক মেডিসিনে নয়, চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখাগুলোসহ ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর বিচরণ ছিল অবাধ এবং বিস্ময়কর রকমের স্বাচ্ছন্দ। পড়ানোর সময় প্রসংগক্রমে চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন আবিষ্কার এবং তথ্যের ব্যাপারে ইসলাম ধর্মে যে সুস্পষ্ট বর্ণনা কিংবা ইংগিত রয়েছে সে ব্যাপারে তিনি যখন সুন্দর, প্রাঞ্জল ইংরেজী ভাষায় আমাদের বলতেন তখন সমস্ত ক্লাস জুড়ে বিরাজ করত পিন পতন স্তব্ধতা আর আমরা মন্ত্রমুগ্ধের মত তাঁর কথাগুলো শুনতাম । তাঁর জ্ঞানের পরিধি যে কতটা ব্যাপক ছিল সেটা তাঁর সংস্পর্শে যারা এসেছেন একমাত্র তারাই বুঝবেন। প্রতিদিন একজন সত্যসন্ধানী, তথ্যনিষ্ঠ, মননশীল, মহাজ্ঞানী শিক্ষকের সবটুকু যোগ্যতা নিয়েই তিনি আমাদের পড়াতেন অক্লান্ত পরিশ্রম করে। চিন্তার স্বাতন্ত্র্য, প্রকাশের মাধুর্য, বিশ্লেষণের অনন্যতার কারণেই তাঁর প্রতিটা লেকচার আমাদের কাছে বিশিষ্টতার দাবীদার হয়ে উঠত। বিভিন্ন সভা-সেমিনারগুলোতেও দেয়া তাঁর ভাষণগুলোতে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে ফুটে উঠত স্রষ্টার প্রতি তাঁর প্রগাঢ় বিশ্বাস, জীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ইসলামের শাশ্বত মূল্যবোধ সম্পর্কে গভীর সচেতনতা এবং সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত জীবন নির্দেশনার প্রতি তাঁর অবিচল ভক্তি।
সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের উন্নয়ন একটা অতীব জরুরি বিষয়। অথচ এই বিভাগে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নুরুল ইসলাম স্যারের পদার্পণের পূর্বে এদেশে চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই শাখাটি ছিল অত্যন্ত অনুন্নত এবং অবহেলিত। তাঁরই অক্লান্ত চেষ্টা এবং পরিশ্রমের ফলে এদেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ একটা পূর্ণাঙ্গ বিভাগে পরিণত হয়। ফরেনসিক মেডিসিনের পাঠ্যক্রম আধুনিকীকরণ এবং এই বিষয়ে স্নাতকোত্তর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ তাঁরই অদম্য উৎসাহ এবং চেষ্টার ফল। ব্যবহারিক জীবনে একজন চিকিৎসকের জন্য ফরেনসিক মেডিসিন যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়, এদেশের চিকিৎসক সমাজের মাঝে তিনিই প্রথম এই উপলব্ধি সৃষ্টি করেছিলেন। তিনিই ছিলেন এদেশের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের জনক এবং স্বপ্নদ্রষ্টা।
দর্শনচর্চা থেকে আপনি কী শিক্ষা পেয়েছেন? এ প্রশ্নের উত্তরে মহামতি এরিস্টটল বলেছিলেন, “ অন্যেরা যা করে স্রেফ আইনের ভয়ে, তা-ই সজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় করার শিক্ষা আমি পেয়েছি দর্শন থেকে।’’ এরিস্টটলের এই উক্তিতে খুঁজে পাওয়া যায় দার্শনিকের চিন্তা ও চরিত্রের মূল নির্যাস। কারণ প্রকৃত দার্শনিক কেবল একজন তত্ত্বজ্ঞানী ব্যক্তিই নন, বরং একজন পুরোদস্তর বিবেকবান ও স্বাধীনচেতা মানুষও বটে। তাই কারো আদেশ-নির্দেশে নয়, মুক্ত ও স্বাধীন চিন্তার বশবর্তী হয়েই তিনি প্রবৃত্ত হন জ্ঞান ও সত্যের সাধনায় এবং কোন প্রকার প্রলোভন-প্ররোচনার তোয়াক্কা না করেই পূর্বাপর আত্মনিবেদিত থাকেন এই মহান ব্রতে। শুধু সেকালের পিথাগোরাস, সক্রেটিস কিংবা এরিস্টটল নয়, একালের বার্ট্রান্ড রাসেল ও জ্যাঁ-পল সার্ত্রসহ শ্রেষ্ঠ দার্শনিকদের অনেকেই বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে প্রমাণ করে গেছেন যে, একজন দার্শনিকের কাছে জ্ঞান ও সত্যের সাধনা, ন্যায় ও সুনীতির অনুশীলন, অন্য যে কোন বিষয়ের চেয়ে অনেক বেশী মূল্যবান। দার্শনিক চরিতমানসের এই অতি প্রয়োজনীয় লক্ষণটিও আমরা লক্ষ্য করি অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নুরুল ইসলাম স্যারের ধ্যান- ধারণা, চাল-চলন তথা সামগ্রিক জীবনাচরণে। আমি আগেই বলেছি যুক্তিপ্রসূত এবং মানবিক মূল্যবোধপুষ্ট ইসলামী জীবনদর্শনের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা ও একাগ্রতা ছিল সর্বজনবিদিত। মানবপ্রেমিক এই ব্যক্তি পেশাগত জীবনেও ছিলেন একজন অত্যন্ত সফল চিকিৎসক। প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত তিনি চেম্বারে অনেক রোগী দেখতেন। রোগীর এই সংখ্যাধিক্যের কারণে ভাল করে না দেখে তাড়াহুড়া করে কাউকে তিনি ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন- এধরণের অভিযোগ কখনোই শুনা যায়নি। প্রতিটা রোগী তিনি অত্যন্ত যত্ম এবং ধৈর্য সহকারে প্রচুর সময় নিয়ে দেখতেন । প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত রোগী দেখে সেই কষ্টার্জিত আয়ের সামান্য অংশটুকু পর্যন্ত রাখতেন না নিজের জন্য কিংবা পরিবার-পরিজনের জন্য। দু’হাতে বিলিয়ে দিতেন তা দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে এবং গরীব দুঃখীদের মাঝে। সারা জীবন পড়ার খরচ যুগিয়েছেন অসংখ্য দরিদ্র ছেলে-মেয়ের। রোগী হিসেবে তাঁর চেম্বারে আগত গরীব-দুঃখী, ছাত্র-শিক্ষক, প্রতিবেশী বা তাঁর চেনা জানা মানুষের কাছ থেকে তিনি কখনোই ফি নিতেন না। এমনকি এদের অনেককে তিনি ওষুধ কেনার টাকা পর্যন্ত দিয়ে দিতেন। ধর্মপ্রাণ মানবতাবাদী এই চিকিৎসক আর্ত মানবতার সেবায় নিজেকে যেভাবে উৎসর্গ করেছিলেন তা এদেশের মানুষের কাছে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
এদেশে প্রায়শঃ দেখা যায় পরিস্থিতি ও পরিবেশ পরিবর্তনের সাথে সাথে অনেকের চিন্তা-চেতনা ও আচার-আচরণের পরিবর্তন ঘটে, সময়ের সাথে সুর মিলাতে কিংবা যুগের গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দিতে তারা এতটুকু দ্বিধান্বিত হন না। এক্ষেত্রেও অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নুরুল ইসলাম স্যারের অবস্থান ছিল অত্যন্ত স্বচ্ছ, নীতিবান দার্শনিকদের কাতারে। অসত্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন এই সংগ্রামী মহাপুরুষ ছাত্রজীবনে বায়ান্নের মহান ভাষা আন্দোলনে অত্যন্ত বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করা ছাড়াও পাকিস্তানের তৎকালীন শোষক শ্রেণীর বিরুদ্ধে এদেশের ছাত্র-জনতার বিভিন্ন আন্দোলনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের একজন নির্বাচিত ভিপি হিসেবে অত্যন্ত গৌরবময় ভূমিকা পালন করেছিলেন। বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন, চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি থাকাকালীন সময়ে তিনি চিকিৎসকদের ন্যায্য দাবী আদায়ের বহু আন্দোলনে সফল নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি, প্রলোভন তাঁকে কখনো নীতিচ্যূত করতে পারেনি। এমনকি একবার ১৯৬৩ সালে চিকিৎসকদের ন্যায্য দাবী আদায়ের সংগ্রামে নেতৃত্ব দিতে যেয়ে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের রোষানলে পড়ে জেল পর্যন্ত খেটেছেন তথাপি অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি।
জীবনের সাথে দর্শনের যে একটা নিবিড় সম্পর্ক তার উপর জোর দিতে গিয়েই বলা হয় প্রকৃত দর্শন মানেই জীবনদর্শন। অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নুরুল ইসলাম স্যার আজীবন ছিলেন কর্মকেন্দ্রিক জীবনদর্শনের অনুসারী। কারণ কর্মচঞ্চল জীবনই হল সার্থক জীবন। অকর্মণ্য জীবন শুধু নির্রথক নয়, জীবন আখ্যাপ্রাপ্তির অযোগ্য জীবন। এটা অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নুরুল ইসলাম স্যারের জীবনে কেবল কথার কথা ছিল না, নিজের কর্ম ও আচরণে তিনি তা প্রমাণ করে গেছেন। তাই দেখা গেছে পেশাগত জীবনে শত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি জীবনের ব্যস্তবতাকে উপেক্ষা করেননি, পূর্বাপর জড়িত ছিলেন বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে। তিনি চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক সমিতি এবং চট্টগ্রাম শিশু হাসপাতালের আজীবন সদস্য ছিলেন, বাংলাদেশ মেডিকোলিগ্যাল সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। ১৯৮৭-৮৮ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির নির্বাচিত সভাপতি হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করে গেছেন সফলভাবে। বিশাল এবং বর্ণাঢ্য ছিল তাঁর কর্মময় জীবন।
অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নুরুল ইসলাম স্যার দর্শনের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ না করেও ছিলেন একজন অত্যন্ত বড় মাপের জীবনঘনিষ্ঠ দার্শনিক, উঁচুস্তরের সুফী সাধক, ইসলামী চিন্তাবিদ, মানবপ্রেমিক চিকিৎসাবিদ, সুবক্তা, সুলেখক, একজন বড় মাপের পন্ডিত ব্যক্তি, জ্ঞানের ভুবনের এক অসাধারণ দিকপাল এবং সর্বোপরি এক বিরল ধীশক্তি ও হৃদয়ানুভূতিসম্পন্ন প্রজ্ঞাবান মানুষ। তাঁর জন্ম লক্ষ্ণীপুর জেলার ভবানীগন্‌জের এক সম্ভ্রান্ত পীর পরিবারে ১৯৩৪ সালে। আর জীবনাবসান ঘটে ১৯৯২ সালের ২১শে মে। সবশেষে এই কৃতি পুরুষের সফল কর্মময় জীবনের প্রতি অভিনন্দন জানাই এবং সৎ ও সুন্দর মনের এই মানুষটির আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।
লেখক: গবেষক, কলাম লেখক এবং বিশেষজ্ঞ ভাইরোলজিষ্ট

x