ইউসুফ মহম্মদ এর দোঁহা

শুক্রবার , ১২ অক্টোবর, ২০১৮ at ৭:৪১ পূর্বাহ্ণ
16

১০১
মনের পাঁচিলে রঙ, দূর-পাহাড়ের গান
বালক কুড়িয়ে রাখে কোন বালিকার প্রাণ।

১০২
দেবদারু গাছে দোলে বাতাসের ঝুল,
বালিকা কুড়োতে যায় বালকের ভুল।

১০৩
পাহাড় সখ্যতা খোঁজে, জলাশয়ে কে নাড়ায় জল!
ঝর্ণা ঝরে গেলে নুন, বেজে ওঠে জোয়ারে মাদল।

১০৪
আমার মধ্যে আমি কেমন পা-গুটিয়ে মগ্ন থাকি
মেঘের ছায়া রৌদ্রে শুকাই, নিজেরেই শুধু ডাকি।

১০৫
কুঞ্চিত চোখের মঞ্চে নাচে মেনকা-নূপুর,
রূপময় পথ খুঁজে ক্লান্ত শীতের রদ্দুর!

১০৬
আমার আমাকে নিয়েছি খুঁজিয়া তোমার চোখের বিজ্ঞাপনে
চোখ ইশারায় হৃদয় মথিয়া নিজেকে মেপেছো সঙ্গোপনে।

১০৭
কে দিলো এমন আলোর ঝর্ণা শীতল অম্লতায়
গহীণ আলোতে কে ছিঁটালো রং – ভুল নির্জনতায়।

১০৮
কাকে সন্ধান করি! কে ডাকিল ঘুমের আড়ালে নিজেকে করিয়া মন্থন,
আমার মধ্যে আপন ছন্দে মানুষ সাধনে কে করেছে এতটা গোপন পণ।

১০৯
যাকে বল রঙচটা পোশাকের গল্প- সে দেখে প্রচ্ছদহীন-
হৃদয়ের কথা হৃদয়ে হৃদয়ে, কে বলে কবুল, আমিন আমিন।

১১০
সে যদি পাথর হত ঘর্ষণেই বাষ্প যেত পাওয়া
মেঘ হয়ে ভাসা যেত, হত- প্রকৃতই যদি হাওয়া।

১১২
নীল পরী ছোঁয় নতুনের গান, নক্ষত্র সজ্জিত ক্ষত
আকাশ পোড়ায় পুরাতন রোদ, স্তনের উত্তাপ যত।

১১৩
আমাকে পাচ্ছিনা মধ্যদিনের দুরন্ত ক্যানভাসে
তোমার দর্পনে, পুড়ি নিঃসঙ্গ বাতাসী আশ্বাসে।

১১৪
ভালোবাসার অধিক পরিচর্যা নেই
চুম্বনের অধিক শশ্রুষা, ভেজা অঙ্গে কাঁটা
রোদেলা মনের কষ্টে দিলাম আমার
অসংযত চুম্বনের আঠা, সামলে রেখো পা-টা।

১১৫
অগ্নিতাপে চোখ রেখেছ ঠোঁটের উপর জল-টলোমল ঠোঁট
ভালোবাসার নির্বাচনে আমি দেব তোমার পক্ষে ভোট।

x