(আহা মশা! আহা সুখের ঠিকানা!)

ইঞ্জিনিয়ার পুলক কান্তি বড়ুয়া

বৃহস্পতিবার , ১৮ জুলাই, ২০১৯ at ৪:০১ পূর্বাহ্ণ
16

: মশা কোনো যন্ত্রণার নাম নয়,লাভ ফর এভার! তাহলে সমস্যা কোথায়? সমস্যা হলো মশার সংখ্যা’ দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়ে বেশি, যেমন : দেশে খাদ্য ঊৎপাদনে উদ্বৃত্ত হওয়ায় ধানের দাম কমে গেছে, কৃষকের মাথায় হাত! একই ভাবে মশার সংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়ে উদ্বৃত্ত হওয়ায়, দেশের প্রত্যেক মানুষ মশার কামড় ও ডেঙ্গু ঝুঁকিতে রয়েছে। সব ফলজ ও প্রাণীজ খাদ্য উৎপাদন এর ক্ষেত্রে আমরা বর্তমানে স্বয়ংসম্পূর্ণ বেশি, কিন্তু এই খাদ্য সম্পদগুলো আমরা কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারছি না। কারণ উদ্বৃত্ত সম্পদ ব্যবহার করার জন্যে, দেশে কার্যকর নেতার সংখ্যা নেই বললেই চলে! তবে তেনার সংখ্যাটা নেতার চেয়ে উদ্বৃত্ত! এই সম্পদ চীন পেলে তৃতীয় স্যুপ বিপ্লব ঘটতো। ইউয়ান প্রদেশের হোয়ে অঞ্চলে চীনা মশার স্যুপ অত্যন্ত উপাদেয়,পুষ্টিকর ও দামী খাদ্য হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি ডেঙ্গু প্রতিরোধে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্যে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ডাক্তার নিয়োগ একটি হাস্যকর পদক্ষেপ, তার চেয়ে কর্মহীন পুষ্টি বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট মশার মাংস ও স্যুপ এর উপকারিতা বিষয়ক বৈজ্ঞানিক ঘোষণা দিলে, জনগণ অভিযোগও করতো না বরং নিজেদের ঘরেই মাশ্‌রুম এর মতো মশা চাষ করতো। যেহেতু মশার মাংস খাওয়ার উপর কোন ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা কোন ধর্মশাস্ত্রে নাই তাই এটি হতে পারে একটি অন্যতম সুপেয় স্যুপ খাদ্য। পাশাপাশি চীনে মশা রপ্তানী করে, দেশ বৈদেশিক মুদ্রাও আয় করতে পারে। মশা তখন আর যন্ত্রণার নাম নয়, স্যুপ! ও ডলার! তাই নয় কি? লাভ ফর এভার! আহা মশা! আহা সুখের ঠিকানা!

x