আশীষ বড়ুয়া (মানবসত্তা)

বুধবার , ১৩ জুন, ২০১৮ at ৫:৩৬ পূর্বাহ্ণ
7

 : অনেকেই মনে করেন, গ্রীক দার্শনিকরা প্রথম জগৎজীবন সম্পর্কে চিন্তার সূচনা করেন। চিন্তাভাবনা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। মানুষ মাত্রই জীবনমৃত্যু নিয়ে চিন্তা করতে পারে। চিন্তা না করলে চিন্তাশক্তির বিকাশ লাভ করে না। জীবনের উৎপত্তি হচ্ছে জন্ম থেকে। এই জন্মকে চাইলে মানুষ রোধ করতে পারে। কিন্তু মৃত্যুকে নয়। প্রকৃতিগতভাবে অবধারিত সত্য হচ্ছে মৃত্যু। তবে মৃত্যুকে মানুষ চাইলে জয় করতে পারে। এই কাজটি অনেকেই পারে না।জীবনকে বুঝতে হলে জীবনকে বাঁচিয়ে রাখা চাই, তার সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে। বন্ধন ছাড়া যেমন মুক্তির স্বাদ মেলে না। তেমনি কল্যাণমুখী কাজ ছাড়া জীবনের স্বাদ পাওয়া যায় না।আসলে জীবন জীবিত থাকে কর্মের মাঝে। কখনো জীবন মরে না। মৃত্যু মারা যায়। মনে রাখতে হবেমৃত্যুতে ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এখানে ব্যক্তিটিকে যদি বস্তু ধরি। তাহলে ব্যক্তির মৃত্যু হচ্ছে। কারণ বস্তুর ধর্ম হচ্ছে রূপান্তর। বস্তু কখনো অস্তিত্বহীন হয়না। এখানে আমি’র মৃত্যু হয়েছে। সামাজিক সত্তা অর্থাৎ মানবসত্তার মৃত্যু হয়নি। যেমন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে কিন্তু তার দার্শনিক চিন্তাদর্শনের মৃত্যু হয় নাই। এভাবে মানুষ আজীবনকাল বেঁচে থাকতে পারে তার দর্শন চিন্তারসৃজনশীল কাজের মধ্যদিয়ে।

x