আরেফিননগরে ভুয়া কবিরাজ ও শুলকবহরে দোকানদার গ্রেপ্তার

ধর্ষণের অভিযোগ

আজাদী প্রতিবেদন

সোমবার , ১৯ আগস্ট, ২০১৯ at ৭:৫৫ পূর্বাহ্ণ
132

নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার আরেফিননগর এবং পাঁচলাইশ থানার শুলকবহর এলাকা থেকে ধর্ষণের অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন প্রকাশ নেজাম মামা (৪২) ও মো. সোহেল (১৮)। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ‘ভুয়া কবিরাজ’ নেজামকে এবং ১৭ আগস্ট শনিবার রাতে দোকানদার সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বায়েজিদ থানার ওসি আতাউর রহমান খোন্দকার আজাদীকে বলেন, আরেফিননগর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা কলোনিতে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরিকে ধর্ষণের অভিযোগে নেজাম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার নেজাম উদ্দিন হাটহাজারী উপজেলার ফতেয়াবাদ এলাকার সাহাবুদ্দীন চৌধুরীর ছেলে। তিনি আরেফিননগর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা কলোনিতে আস্তানা খুলে মানুষকে ঝাঁড়ফুক করতেন। গত ১০ দিন আগে মহেশখালী থেকে তার কাছে এক কিশোরী আসেন। ওই কিশোরী ভয় পাচ্ছেন জানিয়ে সেদিন রাতে তাকে ঘুমানোর জন্য নিজের আস্তানায় নিয়ে যান নেজাম। পরে রাতে অন্য একটি রুমে নিয়ে ওই কিশোরিকে ধর্ষণ করেন তিনি। শুধু তাই নয়, কাউকে জানালে তার ক্ষতি হবে বলে ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরিকে পরবর্তীতে আরও ছয়বার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠে নেজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে। পরে ভিকটিম তার মাকে ঘটনা খুলে বললে তিনি থানায় অভিযোগ করেন।
এদিকে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. সোহেল নামে এক চা-দোকানদারকে গ্রেপ্তার করেছে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ। গত শনিবার রাতে শুলকবহর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক মো. সোহেল (১৮) হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার শংকরপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে। পাঁচলাইশ থানার ওসি আবুল কাশেম ভুঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ওসি পাঁচলাইশ জানান, শুলকবহর ভরাপুকুর পাড় এলাকায় সোহেলের একটি চায়ের দোকান রয়েছে। গত ১৫ আগস্ট দুপুর ১টার দিকে দোকানে আসা ৫ বছরের এক শিশুকে নিজের ভাড়া বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করেন সোহেল। ওসি আরো জানান, শনিবার সন্ধ্যার পর শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে শিশুর জবানবন্দির ভিত্তিতে দোকান থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করে।

x