‘আমাকেও মেরে ফেলুন…’

আবরারের ভাইয়ের স্ট্যাটাস

আজাদী ডেস্ক

বৃহস্পতিবার , ১০ অক্টোবর, ২০১৯ at ৫:০৮ পূর্বাহ্ণ
262

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম গতকাল বুধবার আবরার ফাহাদের কুষ্টিয়ার কুমারখালী রায়ডাঙ্গা গ্রামে যান। সেখানে তাকে বাধা দেয় গ্রামবাসী। পরে এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ, তার ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রী ও আরও একজন নারী আহত হন।
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আজকে অফফরঃরড়হধষ ঝচ (উনি বলেন ওনার নাম মোস্তাফিজুর রহমান) কোথা থেকে সাহস পান আমার গায়ে হাত দেয়ার? আমার ভাবিকে মারছেন? নারীদের গায়ে নিষ্ঠুরভাবে হাত দেন আপনারা? এই চাটুকারদের কি বিচার হবে না? তিনি কালকে ২ মিনিটের মধ্যে জানাজা শেষ করতে বলেছেন কীভাবে? যেই ছাত্রলীগ মারল তারা কেন সর্বত্র? আমার বাবাকে হুমকি দেয়া হয়েছে, আপনার আরেক ছেলে ঢাকা থাকে, আপনি কি চান তার ক্ষতি হোক। আজ বলেছেন কেউ কিছু করলে এক সপ্তাহ পর গ্রামের সব পুরুষ জেলে থাকবে। বিচার চাই, আমি বিচার চাই…নয়তো আমাকে মেরে ফেলুন। বাবা-মা কষ্ট একবারে পাবে।’
বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম আবরারের কবর জিয়ারত করতে পারলেও বাধার মুখে তার বাড়িতে ঢুকতে পারেননি। এসময় আবরারের ভাই ও বাবা তাকে প্রশ্নবানে জর্জরিত করেন। তারা উপাচার্যের কাছে জানতে চান, কেন তিনি হত্যাকাণ্ডের পরপর সেখানে উপস্থিত হননি। এখন কেন এসেছেন? এ অবস্থায় আবরারের বাড়িতে ঢুকতে চাইলে উপাচার্যকে বাধা দেয় গ্রামবাসী। এসময় তার গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন নারীরা। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে আবরারের ছোট ভাই আবরার ফায়াজসহ পাঁচজন আহত হন।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম তানভীর আরাফাত বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানকার অনেকের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কি হয়েছে।

x