‘আবরারের পোস্ট’ আগামী দিনের সংগ্রামে অন্যতম স্লোগান হবে

বিএনপির জনসভায় আমীর খসরু

আজাদী প্রতিবেদন

রবিবার , ১৩ অক্টোবর, ২০১৯ at ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ
214

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে ফেসবুকে যে পোস্ট দেয়ার জন্য ছাত্রলীগের কর্মীরা হত্যা করেছে ওই পোস্টটি বারবার দেয়ার জন্য দলের নেতাকর্মীদের আহবান জানিয়েছন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আবরার ফাহাদ যে পোস্ট করেছিল আপনারা সবাই আপনাদের ফেসবুকে সেই পোস্টটা বারবার দিতে থাকবেন। ওই পোস্টটাকে অবিস্মরণীয় করে তুলতে হবে। ওই পোস্ট বাংলাদেশের আগামী দিনের সংগ্রামের মুক্তির অন্যতম স্লোগান হবে।’
বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। গতকাল বিকেলে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগর বিএনপি’র সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। বক্তব্য রাখেন নগরের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।
আবরার হত্যার বিচার হওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে আমীর খসরু বলেন, এর আগে শেয়ারবাজার লুটেরা ও ব্যাংক ডাকাতদের কি হয়েছে আমরা দেখেছি। সুতরাং আবরারকে যারা হত্যা করেছে তাদের কী হবে এবং ক্যাসিনোর ডাকাতদের কি হবে সেটাও জানি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী যে চুক্তি হয়েছে তার প্রতিবাদ করে ফেসবুকে পোস্ট করেছে আবরার। এ প্রতিবাদের ফল হিসেবে তাকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হাতে জীবন দিতে হয়েছে। তিনি বলেন, এ সন্ত্রাসী কারা? তাদের মদদদাতা কে? তাদের উদ্দেশ কি? এসব সন্ত্রাসীদের কি দেশদ্রোহী বলা যাবে না? দেশপ্রেমিককে যারা হত্যা করে তারা দেশদ্রোহী নয়? এই দেশদ্রোহীরা শুধু আবরাকে মেরে থামেন নি। তারা বুয়েট ভিসির সাথে অস্ত্রসস্ত্রসহ আবরারের বাড়িতে পৌঁছে গেছে এবং পরিবারের সদস্যদের অপদস্ত করেছে। জানাজা পড়তে বাধা দিয়েছে এবং মহিলাদের গায়ে হাত তুলেছে।
বাংলাদেশে ‘নির্বাচিত সরকার না থাকায়’ দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হচ্ছে দাবি করে আমীর খসরু বলেন, ভারতে নির্বাচিত সরকার আছে। তাই সেদেশের মানুষের আশা পূরণের চেষ্টা করছে তাদের সরকার। এবং পরিপূর্ণভাবে করেছে। আর আমাদের সরকার বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে নিজেদের আশা পূরণ করেছে। এসময় তিনি ক্ষমতায় অব্যাহতভাবে থাকার জন্য সরকার একটা বিফল চেষ্টা করছে মন্তব্য করে বলেন, কেউ কাউকে ক্ষমতায় রাখতে পারে না। ক্ষমতার মালিক বাংলাদেশের মানুষ। ভোট কয়বার চুরি করবে? চোর ধরা পড়বে এবং শাস্তি হবে। এই ধরা পড়ার ভয়ে তাদের মধ্যে নার্ভাসনেস কাজ করছে। তাদের আচার-আচরণ এবং রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে যেভাবে ব্যবহার করছে তাতে নার্ভাসনেস এর প্রতিফলন হচ্ছে।
আমীর খসরু আরো বলেন, আসামে নাগরিক পঞ্জি করতে গিয়ে প্রায় ২০ লক্ষ নাগরিককে বাংলাদেশের লোক বলে চিহ্নিত করেছে। বিভিন্ন জায়গায়ও আরো অনেকককে চিহ্নিত করছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আলোচনায় বিষয়টি তাদের আভ্যন্তরীণ বলে এটা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না বলেছে ভারত। কিন্তু যখন যৌথ বিবৃতি দিয়েছে, সেখানে বিষয়টা ছিল না। খসরু বলেন, কার সাথে কি কথা হয়েছে সেটা রেকর্ডে থাকে না। কেবল যৌথ বিবৃতিতে যে কথগুলো থাকে শুধুমাত্র সেগুলোই রেকর্ডে থাকে এবং ভবিষ্যতের আলোচনায় আসে। এর বাইরে সীমান্তে যে হত্যা সেটা চিরতরে বন্ধ হওয়া, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ভারতের সিদ্ধান্ত এবং তিস্তাসহ অভিন্ন নদী বণ্টনের বিষয়ে কিছুই যৌথ বিবৃতিতে আসেনি। শুধু ভারত যা পেয়েছে সবকিছুই যৌথ বিবৃতিতে এসেছে। বাংলাদেশের স্বার্থের কিছুই আসেনি। খসরু বলেন কূটনৈতিক কিছু রীতিনীতি আছে। সেই রীতিনীতি অনুযায়ী, দ্বিপাক্ষিক যে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কথাগুলো আছে সেগুলো যদি যৌথ বিবৃতিতে না আসে এগুলো অর্থহীন। এটা আওয়ামী লীগও জানে।
দেশের মানুষের সাথে অন্যায় ও অবিচার করায় সরকার ভয়ে আছেন দাবি করেন আমীর খসরু বলেন, অন্যায় করেছে বলেই আপনাদের মন দুর্বল এবং নার্ভসনেস কাজ করছে। এ নার্ভসনেস থেকে যেগুলো করা হচ্ছে সেগুলো আরো বড় বিপদ ডেকে আনবে। অন্যায়-অবিচার থেকে মুক্তি পেতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের মানুষ। মানুষ যা সিদ্ধান্ত নেয় সেটা বাস্তবায়ন করে। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বাংলাদেশের মানুষ প্রাণ দিয়েছে। প্রয়োজন হলে আবারো রক্ত দিয়ে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করবে। এসময় খসরু বলেন, আমরা রাস্তায় নেমেছি আর ফিরে যাওয়া যাবে না।
আমীর খসরু বলেন, রাজনীতি যেভাবে পকেটস্থ করা হয়েছে সেভাবে অর্থনীতিও পকেটে ভরে ফেলেছে। এটাকে আমি বলি, আওয়ামী অর্থনীতি। এই অর্থনীতিতে একমাত্র আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের ছাড়া কারো কোন ব্যবসা নাই, চাকরি নাই এবং কারো কোন সুযোগ নাই। এজন্য আওয়ামী লীগ, ছাত্র লীগ ও যুবলীগের হাতে শত শত কোটি টাকা চলে গেছে। মানুষ সারাজীবন ব্যবসা করে শত কোটি টাকা দেখে না। অথচ ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাদের কাছে শত কোটি টাকা। আওয়ামী লীগের নেতাদের কাছে হাজার কোটি টাকা। খসরু বলেন, এই টাকা খাওয়া যাবে না। বিগত দিনে যারা চুরি করেছে তারাও পারে নি। এই টাকা শেষ পর্যন্ত যে চুরি করেছে তাদেরকেই খাবে।
এসময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনির প্রতি ইঙ্গিত করে আমীর খসরু বলেন, দেশ বিরোধী চুক্তি হয়েছে। তার জন্য প্রতিবাদ সমাবেশ হচ্ছে। এই সভাটিকে তাদের সহযোগিতা করার কথা। তারা যদি বাংলাদেশের সংবিধানের পক্ষে হয়ে থাকে তাহলে দেশপ্রেমিকের আজকের সভায় সহযোগিতা করার কথা। কিন্তু আমি দেখতে পাচ্ছি, সভা সফল না হওয়ার জন্য প্রচেষ্টা চলছে। স্বতর্স্পূতভাবে জনগণ যাতে আসতে না পারে তার প্রক্রিয়া চলছে।
এসময় তিনি আরো বলেন, আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনির ভাইদের উদ্দেশে বলব, যারা দেশ বিরোধী চুক্তি করে, ব্যাংক লুট করে, শেয়ার বাজার লুট করে, ক্যাসিনো ব্যবসার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পকেট খালি করে, সন্ত্রাসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে খুন করে ও গুম করে, দেশের মানুষের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নেয় ও ভোটাধিকার কেড়ে নেয়, আইনের শাসনের বিরোধিতা করছে, গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে, এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে তাদের পাশে আপনাদের থাকার কথা নয়। বরং আপনাদের দেশপ্রেমিক নাগরিকদের সাথে থেকে দেশের স্বার্থ রক্ষা করার কথা। এটা নাগরিক দায়িত্ব।
এ এম নাজিম উদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আবরার হত্যার বিচার হবে। সেটা আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না। কারণ, সাগর-রুনি এবং চমেকের ছাত্র আবিদসহ অসংখ্য হতাকাণ্ডের বিচার হয় নি। তাই বলছি, প্রধানমন্ত্রী আপনার প্রশাসনের বিচার করার ক্ষমতা নেই।
মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, বেগম জিয়ার মুক্তি হলেই আবরার হত্যার বিচার হবে এবং দেশবিরোধী চুক্তি হবে না। তিনি বলেন, এগারো বছরে তিস্তার হিস্যা পাইনি, অথচ ফেনীর পানি দিয়ে দিয়েছে। এই চুক্তি বাতিল করতে হবে।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ক্যাসিনোর তদন্তে যখন আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাদের নাম চলে আসছে তখনি আরেকটি নাটক মঞ্চস্থ করা হয়। এবং সেটা হচ্ছে আবরার হত্যাকাণ্ড। এখন আমরা ক্যাসিনো ও সম্রাটের কথা ভুলে গেছি। সম্রাট কার নাম বলেছে সেটা জানতে পারছি না। তিনি বলেন, শেয়ার বাজারে যখন লুট হয় তখন সাগর-রুনিকে হত্যা করা হয় এবং হলমার্ক কেলেংকারির সময় রামুর বৌদ্ধ বিহারে হামলা হয়েছে।
আবু সুফিয়ান বলেন, ২০১১ সালে চট্টগ্রামে আবিদকে ছাত্রলীগ পিঠিয়ে হত্যা করেছিল। তখন ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং ১২ জনের বিরুদ্ধে পুলিশ চার্জশীট দেয়। অথচ তারাই খালাস পেয়েছে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রযন্ত্র খুনীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিলে খুনিদের বিচার হবে না। তিনি বলেন, বেকায়দার পড়ে বিচার হলেও রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে ক্ষমা করে দেয়া হয় এবং এ পর্যন্ত ৩০জনকে ক্ষমা করা হয়েছে। ভারতকে ট্রানজিট দিলে আমরা লাভবান হব বলেছিল। কোটি কোটি টাকা আয়ের কথা। অথচ কয়েকবছরে নাকি মাত্র ২৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে।
আবুল হাশেম বক্কর বলেন, যারা আবরারকে হত্যা করেছে তারাই ফেসবুকে শোক প্রকাশের নাটক করছে। বিচার নিয়েও নাটক হবে। তিনি বলেন, গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকার জন্য দেশের মানুষকে ক্ষমতাসীনরা হত্যা করছে। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য দেশবিরোধী চুক্তি করা হয়েছে। সেই চুক্তির প্রতিবাদ করায় আবরারকে প্রাণ দিতে হয়েছে।
এদিকে সমাবেশ চলাকালে নাসিমন ভবনের সামনের নূর আহম্মদ সড়কে বিপুল সংখ্যক পুলিশকে সর্তক অবস্থানে দেখা যায়। এছাড়া রাস্তায় কোন মিছিলও করেন সমাবেশে আগতরা। সমাবেশস্থলে প্রবেশের একটু আগে ফুটপাতে এবং পুরাতন বিমান অফিসের গলিতে কেউ কেউ মিছিল করেন। এছাড়া সমাবেশের একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে অল্প হাতাহাতি হতে দেখা গেছে।
নগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন ও সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, সামশুল আলম, হাজী মোহাম্মদ আলী, জয়নাল আবেদীন জিয়া, নাজিমুর রহমান, আশরাফ চৌধুরী, মাহবুবুল আলম, এডভোকেট মফিজুল হক ভুঁইয়, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, অধ্যাপক নুরুল আমিন রাজু, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আবদুল মান্নান, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, জাহাঙ্গির আলম দুলাল, কাউন্সিলর আবুল হাসেম, মনজুর আলম মঞ্জু, আনোয়ার হোসেন লিপু, শাহেদ বঙ, সামশুল হক, সহসাধারণ সম্পাদক মো. সালাহ উদ্দিন, সামশুল আলম, ইসহাক চৌধুরী আলিম, আবু জহুর, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মুবিন, সম্পাদকবৃন্দ মোহাম্মদ আলী মিঠু, এড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, এম আই চৌধুরী মামুন, ফাতেমা বাদশা, এইচ এম রাশেদ খান, হামিদ হোসেন, নুরুল আকবর কাজল, মোহাম্মদ আলী, অধ্যাপক ঝন্টু কুমার বড়ুয়া, শহিদুল ইসলাম শহীদ, জিয়া উদ্দিন খালেদ চৌধুরী, আবদুল বাতেন, আবদুল মান্নান রানা, থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমন চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, হাজী হানিফ সওদাগর, ডা. নুরুল আবছার, মো. সেকান্দর, সরফরাজা কাদের রাসেল, আবদুল্লাহ আল হারুন, নগর বিএনপির সহসম্পাদকবৃন্দ সালাহ উদ্দিন কায়সার লাবু, রফিকুল ইসলাম মো. ইদ্রিস আলী, অধ্যক্ষ খোরশেদ আলম, খোরশেদ আলম কুতুবী, এড. নেজাম উদ্দিন খান, এড. সেলিম উদ্দিন শাহীন, অধ্যাপক রনজিত বড়ুয়া, জেলী চৌধুরী, বেলায়েত হোসেন বুলু, আজাদ বাঙালী, আবু মুসা, সফিক আহমেদ, আবুল খায়ের মেম্বার, আবদুল হাই, আলী আজম, সালাহ উদ্দিন লাতু, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, আফতাবুর রহমান শাহীন, হাজী বাদশা মিয়া, মনির আহমেদ চৌধুরী, মো. শাহাব উদ্দিন, জাহিদুল হাসান, হাবিবুর রহমান, নূর হোসাইন, মাঈন উদ্দিন চৌধুরী মাঈনু, রোকন উদ্দিন মাহমুদ, জাহাঙ্গির আলম, আবদুল কাদের জসিম, নগর সদস্য ইউসুফ সিকদার, জাকির হোসেন, আলী ইউসুফ, জমির আহমদ, কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, আতিকুর রহমান, রেজিয়া বেগম মুন্নি, মেজবাহ উদ্দিন রাজু, কামাল পাশা নিজামী, সখিনা বেগম, খোরশেদ আলম, তাহের আহমদ, হাজী নুরুল হক, মনিরুজ্জামান টিটু, শাহনেওয়াজ চৌধুরী মিনু, গাজী আলা উদ্দিন, এড. আবদুল আজিজ, মনিরুজ্জামান মুরাদ, মনিরুল ইসলাম।

x