আফ্রিদির নৈপুণ্যে কুমিল্লার জয়

শনিবার , ১২ জানুয়ারি, ২০১৯ at ৫:৩৩ পূর্বাহ্ণ
38

আঁটসাঁট বোলিংয়ে রাজশাহী কিংসকে কম রানে থামালেন শহিদ আফ্রিদি। ছক্কা হাঁকিয়ে তিনিই দলকে এনে দিলেন জয়। মেহেদী হাসানের মিরাজের দলকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। বিপিএলে গতকাল শুক্রবারের দ্বিতীয় ম্যাচে ৫ উইকেটে জিতেছে কুমিল্লা। ১২৪ রানের লক্ষ্য ৮ বল বাকি থাকতে পেরিয়ে যায় তারা। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রাজশাহীর। তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে পরপর দুই বলে মুমিনুল হক ও সৌম্য সরকারকে ফিরিয়ে দেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। তার হ্যাটট্রিক ঠেকিয়ে দেওয়া মোহাম্মদ হাফিজের সঙ্গে ৩০ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন ওপেনিংয়ে নামা মেহেদী হাসান মিরাজ। খবর বিডিনিউজের।
হাফিজকে বোল্ড করে থামান ইংলিশ বাঁহাতি স্পিনার লিয়াম ডসন। নিজের প্রথম দুই বলে মিরাজ ও লরি ইভান্সকে বিদায় করেন শহীদ আফ্রিদি। শূন্য রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় রাজশাহী। আফ্রিদির হ্যাটট্রিক ঠেকিয়ে দেওয়া ফজলে মাহমুদ রাব্বি বেশিক্ষণ টিকেননি। শূন্য রানে ফিরেন কায়েস আহমেদ। ৬৩ রানে ৭ উইকেট হারানো রাজশাহীকে একশ রানের কাছে নিয়ে যান জাকির হাসান ও ইসুরু উদানা। জাকিরকে ফিরিয়ে ৩০ রানের জুটি ভাঙেন ডসন। এরপর প্রায় একার চেষ্টায় দলকে ১২৪ পর্যন্ত নিয়ে যান উদানা। দশম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরার আগে লঙ্কান এই ক্রিকেটার ৩০ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় করেন ৩২ রান। আফ্রিদি ১০ রানে নেন ৩ উইকেট। দুটি করে উইকেট নেন ডসন, সাইফ ও আবু হায়দার। উদ্বোধনী জুটিতে পরিবর্তন আনে কুমিল্লা। কাজেও লেগে যায় এই পরিবর্তন। এভিন লুইসের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমে সফল এনামুল হক। ৭.১ ওভারে শুরুর জুটিতে উঠে যায় ৬৫ রান। ম্যাচ অনেকটাই চলে যায় কুমিল্লার মুঠোয়। মুস্তাফিজুর রহমানের বলে ব্যক্তিগত ১৮ রানে জীবন পাওয়া লুইস ফিরেন ২৮ রান করে। মুস্তাফিজকেই ওড়ানোর চেষ্টায় সীমানায় ধরা পড়েন মুমিনুলের হাতে। দুর্ভাগ্যজনক রান আউটে থামেন এনামুল। তিনে নামা তামিম ইকবালের স্ট্রেইট ড্রাইভ বোলার উদানার পায়ে লেগে স্ট্যাম্পে লাগলে ফিরে যান এই কিপার ব্যাটসম্যান। ৩২ বলে খেলা তার ৪০ রানের ইনিংস গড়া চারটি চার ও একটি ছক্কায়। বাজে শটে ফিরেন তামিম। তিন চারে ২১ বলে ২৫ রান করা বাঁহাতি ব্যাটসম্যান মিরাজের বলে ধরা পড়েন লংঅফে। রান আউট হয়ে ফিরেন শোয়েব মালিক। স্টিভেন স্মিথের জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দেওয়া ইমরুল কায়েসকে দ্রুত ফেরান মুস্তাফিজুর রহমান। সেই ওভারে দুইবার ক্যাচ হতে হতেও বেঁচে যান ডসন। আফ্রিদিকে নিয়ে তিনিই দলকে নিয়ে যান জয়ের বন্দরে। ছক্কায় ম্যাচ শেষ করা আফ্রিদি দারুণ বোলিংয়ে ব্যবধান গড়ে দেওয়ার জন্য জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

x