আনোয়ারা (পশ্চিম) সি.এফ.এল সংলগ্ন সরকারি খাস জমিগুলোর প্রতি দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন

বুধবার , ৭ নভেম্বর, ২০১৮ at ৫:০৬ পূর্বাহ্ণ
8

আনোয়ারার পশ্চিমাংশে উপকূলবর্তী এলাকা নদীর উভয় অংশে অর্থাৎ পূর্ব এবং পশ্চিমে জেগে উঠা চরাঞ্চলসহ বনাঞ্চলের অনেক জায়গায় চর এবং বনের লেশ মাত্র নেই। মাঝে মাঝে গড়ে উঠেছে ঘর-বাড়ি, দোকান-পাট ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে সিএফএল যেখানে নির্মিত হয়েছে সেখানে একসময় চরাঞ্চল ছিল। এই চরাঞ্চলের আশেপাশে কিভাবে ঘর-বাড়ি, দোকান-পাট উঠেছে? খাস জমি ও বিক্রি হয়, কন্ট্রাক্ট হয় আবার দখলও হয়। খাস জমি দিয়েই ব্যবসা করছে এমন মানুষও রয়েছে। যেখানে চরাঞ্চল বিলুপ্তি হয়েছে সেজায়গাটাও সরকারের এই জায়গাগুলো চিহ্নিত করা একান্ত প্রয়োজন। যদিও স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ভুয়া লিজ অথবা ভুয়া দলিলাদি সৃজন করে থাকে তাহলে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। বিভিন্নভাবে সরকারের জমিগুলো যেভাবে অপব্যবহার হচ্ছে তাতে করে চরাঞ্চল, বনাঞ্চল নষ্ট হচ্ছে, সে সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রাকৃতিক ভারসাম্যও। যে নদীতে প্রচুর বিভিন্ন জাতের মাছ পাওয়া যেত এবং অনেক মানুষ মাছ বিক্রি করে জীবন ধারণ করত-এখন আর নেই বললেই চলে। মাছের প্রাকৃতিক আবাসস্থল কমে গিয়ে প্রায় শূন্যের কোটায় এবং গো মহিষের চারণ ভূমি একেবারেই উঠে গেছে। আনোয়ারার পশ্চিমাংশে বেড়িবাঁধ সংলগ্ন জমিগুলোর উপর সরকারের দৃষ্টি দেওয়া আশু প্রয়োজন। আশা করি চরাঞ্চল, বন এবং খাস জমি সংরক্ষণে উদ্যোগী হবেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
-স্থানীয় বাসিন্দাবৃন্দ, গোবদিয়া আনোয়ারা (পশ্চিম), চট্টগ্রাম, (দক্ষিণ)।

x