আনন্দধ্বনির ঠাকুরবাড়ির গান

আনন্দন প্রতিবেদন

বৃহস্পতিবার , ৭ জুন, ২০১৮ at ৪:২৬ পূর্বাহ্ণ
22

চট্টগ্রামে শুদ্ধ রবীন্দ্রসঙ্গীত চর্চার অন্যতম সংগঠন আনন্দধ্বনির উদ্যোগে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত সঙ্গীতজ্ঞ উস্তাদ মিহির কুমার নন্দীর প্রথম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে থিয়েটার ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম (টিআইসি) মিলনায়তনে গত ১৩ মে সন্ধ্যা ৭টায় সঙ্গীত সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়ে। ‘তুমি রবে নীরবে’ শীর্ষক এই আয়োজনে পরিবেশিত হয় ‘ঠাকুরবাড়ির গান’। আলোচক ছিলেন দৈনিক আজাদীর সহযোগী ও সাহিত্য সম্পাদক কবি অরুণ দাশগুপ্ত। সঙ্গীত পরিবেশন করবেন আনন্দধ্বনির সদস্যশিল্পীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আনন্দে আকুল সবে’, বলেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘অসীম রহস্য, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘প্রণমামি’, মনমোহন চক্রবর্তীর ‘দেহজ্ঞান’, দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘জাগো সকল’, যদুভট্টের ‘দেখিয়ে হৃদয় মন্দিরে’, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কেন্নান’, ইন্দিরা দেবীর ‘তাঁরে রেখো’ গণেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘দীননাথ প্রেমসুধা’ বলেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নিশীথ নিদ্রার মাঝে’, সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কে রচে এমন সুন্দর’, দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কর তাঁর নাম গান’ ও বিষ্ণুরাম চট্টোপাধ্যায়ের ‘জগৎ পিতা তুমি বিশ্ববিধাতা’ পরিবেশিত হয়।

অনুষ্ঠানে উল্লিখিত গানগুলি পরিবেশন করেন আনন্দধ্বনির সদস্যশিল্পী গোপা দাশগুপ্ত, শিপ্রা দে, অনুরীনা চৌধুরী, কাবেরী দাশগুপ্তা, তন্বী দত্ত, শ্যামলী পাল, রূম্পা সেন, শ্রাবণী দেববর্মণ, পাপিয়া দে, দেবদ্যুতি ভট্টাচার্য, অপর্ণা চৌধুরী, রূপশ্রী হোড়, অনন্যা চৌধুরী পিউ ও কান্তা দে। তবলায় ছিলেন উৎপল দে, কীবোর্ডে সৃজন রায়, বেহালায় শ্যামল দাশ, এস্রাজ মদন মোহন ঘোষ ও মন্দিরায় ফারুক। উপস্থাপনায় অঞ্চল চৌধুরী। সঙ্গীত পরিচালনায় ছিলেন আনন্দধ্বনির কর্ণধার নন্দিতা নন্দী।

পরিবেশনার মান ও উপস্থাপনাসহ সামগ্রিক বিচারে আনন্দধ্বনির এ আয়োজন দর্শকশ্রোতাদের আন্দোলিত ও চমকিত করেছে নিঃসন্দেহে। ঠাকুরবাড়ির বাছাইকরা গানের ডালি নিয়ে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন আবারও প্রমাণ করলো আনন্দধ্বনি চট্টগ্রামের শুধু ঐতিহ্যবাহী গানের সংগঠনই নয়ণ্ড মেধাবী সঙ্গীত শিল্পী গড়ার অনন্য প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রাম তথা সমগ্র বাংলাদেশের সঙ্গীতের মহীরুহ প্রতিষ্ঠান মিহির নন্দীর হাতে গড়া এই সংগঠন আগামীতে আরও সৃজনশীল ও নীরিক্ষাধর্মী গানের আয়োজন করে চট্টগ্রামের সঙ্গীত অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করবেণ্ড আলোকিত করবে এই প্রত্যাশা।

x