আজ ডা. এম এ হাসেমের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী

শনিবার , ১১ আগস্ট, ২০১৮ at ৫:১৯ পূর্বাহ্ণ
3

পূর্ব বাংলার মুসলিম এমবি ডাক্তার এম এ হাসেমের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঐদিন বাদ আছর কদম মোবারক মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে তার পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুশুভান্যুধায়ীদের উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ডা. এম এ হাসেম ১৯৭০ সালের এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ১৮৯৬ সালে রাউজান উপজেলার সুলতানপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। পিতার নাম মফজুল আলী। বাল্যকালেই তিনি পিতামাতা হারান। বড় ভাই উকিল আবুল কাসেম (বিএল)’র যত্নে লেখাপড়া করেন। প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় রাউজান থানা ভিকটোরিয়া প্রাইমারি স্কুলে। ১৯১৩ সালে রাউজান আরআরএসি ইনস্টিটিউশন থেকে এন্ট্রাস পাস করেন। ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবি (ক্যাল) পাস করেন। তখনকার দিনে গুটিকয়েক মুসলিম এমবি পাশদের মধ্যে তিনি ছিলেন একজন।

১৯২৪ সালে ডা. হাসেম বার্মায় চলে যান। সেখানে চট্টগ্রাম ও নৈশবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯২৯ সালে তিনি তিনি বার্মা থেকে স্বদেশে ফিরেন। জেনারেল হাসপাতাল ও জামে মসজিদ সংলগ্ন আন্দরকিলায় সুলতান মেডিক্যাল হলে তার চেম্বার ছিল আমৃত্যু। আমৃত্যু জনসেবা সমাজসেবা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন। তিনি কদম মোবারক এতিমখানা, মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি, চট্টগ্রাম নাইট কলেজ, চট্টগ্রাম জামে মসজিদের সেক্রেটারি, স্টেট মেডিক্যাল ফেকালটির সদস্য, রেডক্রস সোসাইটির সদস্য, ১৯৪২ সালে গঠিত বার্মা ইভাকুই কমিটির সেক্রেটারি, বেসরকারিভাবে পরিচালিত একমাত্র ‘বেবিস্‌ হসপিটালের’ সভাপতি ও অবৈতনিক প্রধান চিকিৎসক, জিলা রিলিফ কমিটির সভাপতি, বন্যা ত্রাণ সমিতির সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন।

ডা. এম এ হাসেমের উদার অসামপ্রদায়িক চেতনা ও মানব কল্যাণের প্রতিকৃতি। ঐ সময়ে দেশভাগ আন্দোলন, বিপিসি রিপোর্ট বিরোধী আন্দোলন, তদানীন্তন সরকারের শিক্ষা সংকোচন বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনে তিনি পরোক্ষভাবে সকলের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করেছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x