আজহার মাহমুদ (নাগরিক সচেতনতা জরুরি) :

শুক্রবার , ১০ আগস্ট, ২০১৮ at ৩:৫৭ পূর্বাহ্ণ
42

 বর্ষা মৌসুমে তাপদাহের মাঝে বৃষ্টি স্বস্তির পরশ আনলেও অস্বস্তি থেকে রেহাই মেলেনি। টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। পানিতে তলিয়ে যায় রাস্তাঘাট। রাস্তায় প্রাইভেট কার, বাস, মোটরসাইকেলে পানি ঢুকে বন্ধ হয়ে পড়ে। আগ্রাবাদ, বড়পুল, হালিশহর, কদমতলি, চকবাজার, মুরাদপুর, চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ, বৃহত্তর বাকলিয়া, বহদ্দারহাট, ২ নাম্বার গেট, শুলকবহর সহ আরো বিভিন্ন পয়েন্টে রাস্তাগুলো কোমর পর্যন্ত পানিতে ডুবে থাকে। বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানীর এমন চিত্র সত্যি বড়ই বেমানান আমাদের জন্য। রাস্তায় চলাচল করা এখন বড় একটি সমস্যা। যেখানে যেতে ২০মিনিট লাগার কথা সেখানে এখন এক ঘণ্টায়ও পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না এই জলাবদ্ধতার জন্য। প্রকৃতির নিয়মে বর্ষা আসবেই। বৃষ্টি হবেই। প্রাকৃতিক নিয়ম মানতে হবে আমদের সকলের। তাই বলে মনুষ্য সৃষ্টিসংকটে ভোগান্তি তো মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের দুর্ভাগ্য যে, দীর্ঘদিনেও এর সমাধান হয় না। এর মাত্রা বেড়েই চলছে। আমার মতে এর জন্য অনেক অংশ মানুষরাই দায়ী। আমরাই সচেতন না বলেই আজ এই অবস্থা। যথাযথ নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায়, অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে আজকে আমাদের কাছে স্বস্তির বৃষ্টিটাও অস্বস্তির মনে হয়। আমাদের, নগরীতে জলাবদ্ধতা, যানজট প্রভৃতি সমস্যার জন্য কতিপয় নাগরিকের অসচেতনতা ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ডও কম দায়ী নয়। খালজলাশয় দখলসহ পলিথিন ও প্লাস্টিক সামগ্রী ড্রেন, জলাশয় যত্রতত্র ফেলে এই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়। তাই এ ক্ষেত্রে নাগরিক সচেতনতা বড় ভূমিকা পালন করতে পারে বলে আমার বিশ্বাস।

x