আউলিয়া-কেরামের মাধ্যমে ইসলামের আগমন ঘটেছে

সাতকানিয়ায় মাহফিলে বক্তারা

বুধবার , ৯ জানুয়ারি, ২০১৯ at ৩:৩০ পূর্বাহ্ণ
32

হযরত শাহ ফকির মাওলানা (র.) এর ২দিন ব্যাপী ৮৮তম ওরশ ও মাহফিল গত ৫ ও ৬ জানুয়ারি সাতকানিয়া মাদার্শায় অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন দরবারের পীর আলহাজ শাহ মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইছলাম। প্রধান মেহমান ছিলেন শুকছড়ি খালেকিয়া ফাজিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ শাহ মাওলানা অহিদ আহমদ। প্রধান ওয়ায়েজ ছিলেন ইংল্যান্ড দরবারে ফারুকীর খলিফা আলহাজ মাওলানা মুহাম্মদ মুজহেরুল কাদের ফারুকী। অধ্যক্ষ সালাহউদ্দিন ইঊছুফি ও মুরশেদুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল শর্ষিনা দরবারের খলিফা মাওলানা মুছা আমানী, মির্জাখিল দরবারের শাহজাদা তানভীর রহমান, ব্যাংকার বুলবুল ছরোয়ার, অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন, কবির আহমদ সওদাগর, আবু মুহাম্মদ মুছা, মুহাম্মদ জাকেরিয়া, আবুল মনছুর, আনোয়ার ইব্রাহিম। তকরির করেন হাফেজ মাওলানা মুজিবুল হক, মাওলানা জকরিয়া হাবিবী, মাওলানা আমিনুল ইছলাম, শাহজাদা ছাইফুল ইছলাম, মাওলানা আমান গণি ও মাওলানা মুস্তফিজুর রহমান কাদেরী প্রমুখ। বক্তারা বলেন, উপমহাদেশে আউলিয়া কেরামের মাধ্যমে ইসলামের আগমন ঘটেছে। ফলে আমাদের পূর্বপুরুষগণের ধারাবাহিকতায় আমরা ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় নিতে সক্ষম হয়েছি। আল্লাহর অলিগণ জাহান্নামী মানুষকে জন্নাতি করতে দিবারাত্রি শ্রম দিয়েছেন। ইসলামের প্রচার ও প্রসারে তারা নিজেদেরকে আত্মনিয়োগ করেছেন। তারা ইহকালীন ভোগবিলাসের চিন্তা করেনি, আখেরাতকে প্রাধান্য দিয়েছেন। সুতরাং নবীর মহব্বত ও অনুসরণের মাধ্যমে আউলিয়াকেরামের তরিকা ধারণ করে আল্লাহর সঠিক বান্দা হওয়া প্রয়োজন। তাহলেই ইহকালীন শান্তি ও পরকালে দোজখের কঠিন আজাব হতে নাজাতের আশা করা যাবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x