আঁকা কোনো ছবি নয়

অর্ক রায় সেতু

বুধবার , ৯ অক্টোবর, ২০১৯ at ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
28

একটু ঘুরতেই বের হলে খাবার সঙ্গী সাদা চকচকে মচমচে ভুট্টা যেনো চারপাশের পরিবেশ আর আমাদের সম্পর্কটাও আরামদায়ক করে তুলে। বিচি গুলো আলাদা হয়ে খুবই সুন্দর প্রক্রিয়ার মধ্যে আগুনে ঝলসে ভুট্টা গুলো খাবার উপযোগী হয়ে পটপট করে বাইরে বের হয়ে আসে। তারপর টেস্ট আমরা উপভোগ করি বা খাবার হিসেবে গ্রহণ করি। বাংলাদেশের ভেতরে ভুট্টা বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে দিন দিন। স্কুল, কলেজ, পার্কের মতো জায়গা গুলোতে ভালো করে ভুট্টা পরিবেশন করতে দেখা যায়। সকল শ্রেণীর মানুষ কম বেশি ভুট্টা খাবার হিসেবে গ্রহণ করে। প্রায় প্রতি একশো গ্রামে নব্বই মিলিগ্রাম ভিটামিন এ পাওয়া যায় ভুট্টা থেকে। আবার গবাদি পশুর পুষ্টির একটা উৎস আসে ভুট্টা থেকে। বাংলাদেশর লালমনিরহাটে প্রচুর পরিমাণে ভুট্টা চাষ করা হয়। তবে এই বিষয়ে প্রত্যেকদের সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। মানুষের অবস্থান গত পরিবর্তেনের কারণে ভুট্টার উৎপাদন প্রায় নিঃশেষ হয়ে আসছে। তবে ভুট্টা সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য চোখ দিয়ে দেখলে অবাক করার মতোই। ছবির ভুট্টা গুলো দেখলে মনে হতে পারে শিল্পীর তুলিতে আঁকা কোনো ছবি। একটু অস্বাভাবিক মনে হলে ও এগুলোও সাধারণ ভুট্টার মতোই। নামকরণ করা হয় ফ্লিন্ট কর্ণ। খাবার উপযোগী করার পর হলুদ ভুট্টার মতো অঢেল রঙের সাজানো ফ্লিন্ট কর্ণটি সাদাটে হয়ে যায়। সচরাচর হলুদ রঙের ভুট্টা আমরা বাজার থেকে কিনে নিই। বিচিত্র রঙের ফ্লিন্ট কর্ণ চমকে দেওয়ার মতো হলেও। হলুদ ভুট্টার মতো সবকটি পুষ্টিকর উপাদান পাওয়া যায় কয়েকটিমাত্র রঙের মাঝে সজ্জিত এই মাল্টিকালারের ভুট্টায়। রঙের কারণে আলাদাভাবে রাখা হলেও এককথায় কৌতূহলী মানুষদের চমকে দেওয়ার মতোই। ফ্লিন্ট কর্ণটির অস্তিত্ব বা তথ্যচিত্র প্রায় একহাজার খ্রিস্টপূর্বাব্দে প্রত্নতাত্ত্বিকরা আমেরিকান একটি চাষের মরুর উপর পেয়েছিলো।

x