অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পছন্দের চাকরি ব্যাংকিং

সিআইইউর ‘ব্যাংকারস হান্ট’

রবিবার , ৫ মে, ২০১৯ at ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
86

বিজনেস স্কুলের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পছন্দের চাকরি নাকি ‘ব্যাংকিং জব’। এই পেশাতে আছে চ্যালেঞ্জ, আছে নিজেকে সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে নিরন্তর ছুটে চলা। তবে চাইলেই অন্য আট-দশটা পেশার মতো এখানে চোখ এড়িয়ে কাজ করার সুযোগ নেই।
ব্যাংকিং সেক্টরের চাকরির নানা দিক নিয়ে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউতে) অনুষ্ঠিত ‘ব্যাংকারস হান্ট’ সাড়া জাগিয়েছে শিক্ষার্থীদের ভেতর। সম্প্রতি নগরীর জামালখানের সিআইইউ ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনট্রিনসিক ফিন্যান্স ক্লাব এই হান্টের আয়োজন করে।
এতে বিভিন্ন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম, মানবসম্পদ শাখার কাজ, লোন, লেনদেনসহ নানা ধাপ নিয়ে আলোচনা করেন। দুইভাগে বিভক্ত অনুষ্ঠানের প্রথমে ছিল দিনব্যাপী কর্মশালা। এরপর অনুষ্ঠিত হয় লিখিত পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার পর্ব।
সিআইইউ’র ইনট্রিনসিক ফিন্যান্স ক্লাবের উপদেষ্টা ড. সৈয়দ মনজুর কাদের বলেন, ‘ভালো ব্যাংকার হতে চাইলে কী করতে হবে সেইসব বিষয়ে ধারণা দিতেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা আগ্রহ নিয়ে এখানে অংশগ্রহণ করেছেন। একটি ব্যাংকে চাকরি করতে হলে যা যা দরকার হয় সবই দেখানো হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সিটি ব্যাংকের চট্টগ্রামের করপোরেট শাখার এরিয়া হেড কায়েস চৌধুরী, রিলেশনশিপ ম্যানেজার মুজিবুর রহমান মনি, অ্যাসোসিয়েট রিলেশনশিপ ম্যানেজার এসএম নাজমুস সাকিব ভূঁইয়া, এনআরবি গ্লোবাল করপোরেট ব্যাংক শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট এম আলাউদ্দিন, ব্যাংক এশিয়ার ফার্স্ট অ্যাসিসটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট চৌধুরী আল যোবায়ের, লংকা-বাংলা ফাইন্যান্সের সিনিয়র অ্যাসিসটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাজ্জাদ চৌধুরী প্রমুখ।
অতিথিরা প্রত্যেকে ফিন্যান্সিয়াল মডেল, ভ্যালু ডেট, ইক্যুইটি মার্জার, অ্যাকুইজিশন ও ক্যাপিটাল রাইজিং, ভ্যালুয়েশন মেথড, প্রোডাক্ট অফারিং, ক্লায়েন্ট ফাইন্যান্সিং, ইনভেস্টমেন্ট মেমোরেন্ডাম, ম্যানেজমেন্ট প্রেজেন্টেশন, রিলেশনশীপ ডেভেলপমেন্টসহ ব্যাংকিং কাজের একাধিক বিষয় শিক্ষার্থীদের কাছে তুলে ধরেন।

পুরো অনুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল ব্যাংক এশিয়া।

শিক্ষার্থীদের অনেকে জানান, বাবা বড় ব্যাংকার ছিলেন বলে তার ভেতর ছোটবেলা থেকে এই পেশা গ্রহণের ইচ্ছা জেগেছে। কেউ কেউ বলেন, ব্যাংকে যাওয়া আসা করতে করতেই নাকি এই পেশার প্রতি ভালো লাগা জন্মেছে। অনেকে আবার চ্যালেঞ্জ নিতেই পেশাটি বেছে নেয়ার কথা উল্লেখ করেন।
শারমিন আক্তার নামের একজন ছাত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি একজন ভালো ব্যাংকার হতে হলে আত্মবিশ্বাস, সততা আর চ্যালেঞ্জ নেয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। আমার খুবই ভালো লেগেছে এখানে। পুরো আয়োজনটিতে অংশ নিতে পেরে এই পেশার প্রতি অন্যরকম আবেগ তৈরি হয়েছে।’

x