অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কারিগরি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেব : জাবেদ

আনোয়ারা প্রতিনিধি

মঙ্গলবার , ১ জানুয়ারি, ২০১৯ at ৪:১৬ পূর্বাহ্ণ
354

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে তৃতীয় বারের মত সংসদ সদস্য হলেন সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। এবার তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়েছেন প্রায় আড়াইলাখ ভোটের ব্যবধানে। বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা প্রয়াত আখতারুজ্জামান বাবুর মৃত্যুর পর তার বড় ছেলে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ২০১৩ সালের ১৭ জানুয়ারি উপ-নির্বাচনে প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি , সবশেষ ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ সংসদ নির্বাচন মিলিয়ে মাত্র ৬ বছরে ৩ বার তিনি সংসদ সদস্য পদে লড়ে প্রতিবারই বিপুল ভোটে জিতেছেন তিনি।
অল্প সময়ে জনগণের এমন অভাবনীয় আস্থা অর্জনের নেপথ্য কারণ, এলাকার উন্নয়নসহ নানা বিষয়ে দৈনিক আজাদীর সঙ্গে কথা বলেছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ।
ভোটে বিশাল জয়ের পরদিন গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় নগরীর সার্সন রোডের বাসায় এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, মানুষের ভোট নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার মানুষ আমি নই। আমার বাবা আখতারুজ্জামান বাবু ছিলেন আনোয়ারা-কর্ণফুলীবাসীর হৃদয়ের নেতা। মানুষের সেবা করার জন্যই আমি জনপ্রতিনিধি হয়েছে। জনগণের জন্য আমি সপ্তাহে ৭ দিন কাজ করি। এলাকাবাসী নিজের পরিবারের সদস্যের মতই আমাকে ভালবাসে। এই ভালবাসা থেকে তারা আমাকে ছয় বছরে ৩ বার বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন।
তিনি বলেন, আনোয়ারা-কর্ণফুলীতে কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করিনি। সবাই আমার কাছে সমান। কে ভোট দিল বা দিল না সেটা বড় কথা নয়। সবাইকে সমান চোখে দেখি। সবাইকে নিয়ে কাজ করব।
এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে বলেন, আনোয়ারা কর্ণফুলীতে ২০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলমান। কর্ণফুলী টানেল হচ্ছে। টানেল হওয়ার পর শুধু আনোয়ারা-কর্ণফুলী নয়, পুরো এলাকার চেহারা পাল্টে যাবে। চায়না ইকোনমিক জোন ছাড়াও নতুন শিল্প কারখানা হবে। তাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটি কারিগরি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেব। যাতে শিক্ষিত বেকারেরা দক্ষ হয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়।
আনোয়ারা-কর্ণফুলীতে মানসম্মত আরো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, একটি স্কুল ও একটি কলেজ সরকারি হয়েছে। ভবিষ্যতে আরো ভাল মানের প্রতিষ্ঠান গড়তে কাজ করে যাব।
ভোটের পর দিন সোমবার সকাল থেকে নিজ নির্বাচনী এলাকার হাজারো মানুষের ভালবাসা ও ফুলেল শুভেচ্ছায় ভাসছিলেন দক্ষিণ চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ রাজনীতির অন্যতম অভিভাবক তারুণ্যদীপ্ত এই নেতা। সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর সার্সন রোডের বাসায় তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না।

x